দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

জোম্যাটোতে এবার 'বাবা কা ধাবা' ! ভাইরাল বৃদ্ধের দুঃখের দিন শেষ। হুহু করে বিক্রি হচ্ছে খাবার !

জোম্যাটোতে এবার 'বাবা কা ধাবা' ! ভাইরাল বৃদ্ধের দুঃখের দিন শেষ। হুহু করে বিক্রি হচ্ছে খাবার !

৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে পেট চালানোর জন্য কাঁদতে দেখে, গোটা ভারতের চোখে জল আসে। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয় এই ভিডিও।

  • Share this:

#নয়া দিল্লি: করোনায় কত মানুষ যে কাজ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন, তার হিসেব নেই। বহু দোকান-পাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন লকডাউন চলায়, রাস্তা ঘাট, অফিস, স্কুল সবই বন্ধ। ফলে দেখা নেই মানুষের। আর এই সময় জীবন মরণ সমস্যায় পড়েন দিল্লির ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধ ও তাঁর স্ত্রী।

দিল্লিতে একটি ধাবা আছে তাঁর। রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান। এখানে পাওয়া যায় ভাত, তরকা ডাল, চিকেন, হাতে তৈরি রুটি। ছোট্ট ঘুমটি দোকান। খাবার বানান ওই দম্পতী নিজেরাই। ঠিক যেমন কলকাতার ঝুপরির খাবারের দোকানগুলো হয় অনেকটা তেমনই। কিন্তু দীর্ঘ লকডাউনে একেবারে বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। অনেক দিন দোকান বন্ধ রেখে না খেতে পেয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। আনলক পর্যায়ে তাঁরা দোকান তো খোলেন, কিন্তু তাতে দেখা নেই একজনেরও।

দু'দিন আগে দিল্লির এক ব্যক্তি ওই দোকানে খাবার কিনতে চান। গিয়ে দেখেন সব খাবার রেডি। সারাদিনে বিক্রি হয়েছে মাত্র ৪০ টাকার। কেঁদে ফেলেন ওই বৃদ্ধা। এর পর ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে পেট চালানোর জন্য কাঁদতে দেখে, গোটা ভারতের চোখে জল আসে। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয় এই ভিডিও।

এর পর পুরো চিত্রটাই বদলে যায়। বলিউড অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন সহ অনেকেই ওই বৃদ্ধকে সাহায্যের কথা বলেন। দিল্লিবাসীকে বলেন, যাও ওঁর দোকান থেকেই সবাই খাবার কেনো"। এর পর সারা দিল্লি থেকে মানুষ পৌঁছে গিয়েছেন ৮০ বছর বয়সী কান্তা প্রসাদের দোকানে। নানা রকম খাবার কেনার জন্য লম্বা লাইন পড়ে যায়। কান্তা প্রসাদ আর তাঁর বৃদ্ধা স্ত্রী সারাদিন খাবার তৈরি করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ফের ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলেন কান্তা প্রসাদ। তিনি জানিয়েছেন, ৩০ বছরে তাঁর দোকানে কোনও দিন এত রোজগার হয়নি। যা তিনি একদিনে করেছেন। লকডাউনের জন্য তাঁর দিনে রোজগার নেমে গিয়েছিল ২০ থেকে ৩০ টাকায়। খেতে পাচ্ছিলেন না স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়া একটা ভিডিও বদলে দিল তাঁর ভাগ্য। এর পরই 'বাবা কা ধাবা' ও কান্তা প্রসাদকে সাহায্যের জন্য এগোয়ে এসেছে জোম্যাটো। জোম্যাটো তাঁদের অ্যাপে 'বাবা কা ধাবা' কে যোগ করে নিয়েছে। এবার অনলাইনে খাবার অর্ডার করলেই পাওয়া যাবে 'বাবা কা ধাবা'র খাবার। আর কষ্টে থাকতে হবে না তাঁদের। এখন দোকানে লোক না এলেও খাবার বিক্রি আটকাবে না। বাড়ি বসেই সাহায্য করা যাবে। এবং খাওয়া যাবে 'বাবা কা ধাবা'র কান্তা প্রসাদের হাতে তৈরি খাবার।

Published by: Piya Banerjee
First published: October 9, 2020, 4:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर