• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • BABA KA DHABA 2 STORY OF STRUGGLING MUMBAI FOOD VENDOR GOES VIRAL ZOMATO OFFERS HELP TC RC

পথের লিট্টি-চোখা জায়গা করল Zomato-য়, মুম্বইয়ের বিক্রেতার জন্য সাহায্যের হাত বাড়াল দেশ!

পথের লিট্টি-চোখা জায়গা করল Zomato-য়, মুম্বইয়ের বিক্রেতার জন্য সাহায্যের হাত বাড়াল দেশ!

দেশে এমন অনেক দোকানদার আছেন, যাঁরা পথের ধারে নিজেদের খাবার বিক্রি করে জনতার মন জয় করেছেন। সেটাই হয়েছে তাঁদের আর্থিক সমৃদ্ধির উৎস।

  • Share this:

#মুম্বই: রেস্তোরাঁ ঝাঁ-চকচকে হলেই যে খাবার ভালো হবে, তার কোনও মানে নেই। ওটা রাঁধুনির হাতের গুণ! দেশে এমন অনেক দোকানদার আছেন, যাঁরা পথের ধারে নিজেদের খাবার বিক্রি করে জনতার মন জয় করেছেন। সেটাই হয়েছে তাঁদের আর্থিক সমৃদ্ধির উৎস। এই প্রসঙ্গে অনেকেরই হয় তো মনে থাকবে বাবা কা ধাবা-র কথা। বৃদ্ধ দম্পতিকে যে ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দেশ, তা ভোলার নয়। এবার সেই স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠল মুম্বইয়ের লিট্টি-চোখা বিক্রেতা যোগেশের সূত্রে; ফিরিয়ে আনলেন প্রিয়াশু দ্বিবেদী নামের এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার।

https://twitter.com/khaalipeeli/status/1371788333366448129?s=20 https://twitter.com/khaalipeeli/status/1371788336793153538?s=20 https://twitter.com/khaalipeeli/status/1371788343151763461?s=20

সম্প্রতি প্রিয়াংশু তাঁর Twitter হ্যান্ডেল থেকে যোগেশের তৈরি লিট্টি-চোখার প্রশংসা করে বেশ কয়েকটা পোস্ট করেছিলেন। জানা গিয়েছিল যে মাত্র ২০ টাকায় দুটো ঘি-মাখানো লিট্টি, সুস্বাদু আলুর চোখা আর চাটনি ক্রেতাদের সরবরাহ করেন যোগেশ। তাঁর দোকান মুম্বইয়ের বরসোভা বিচের কাছে। যোগেশ কথায় কথায় আক্ষেপ করেছিলেন প্রিয়াংশুর কাছে- দিন গুজরানে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যা আয় হয়, তার বেশিরভাগটাই বেরিয়ে যায় নানা লোকজনকে টাকা দিতে দিতে। প্রিয়াংশু তখন তাঁকে Zomato-র সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু যোগেশ জানান, সেটা কী ভাবে করতে হয় তা জানা নেই!

https://twitter.com/unnatibajpai/status/1371886194217283586?s=20 https://twitter.com/anshudel/status/1371889240179535872?s=20 https://twitter.com/amitkushwaha_13/status/1372067571390816258?s=20

এর পর উদ্যোগী হয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে যোগেশের কথা সবাইকে জানান প্রিয়াশু। যোগাযোগ করেন Zomato-র সঙ্গেও। এবং তাঁকে অবাক করে দিয়ে বিপুল জনসমর্থন আসতে থাকে। অনেকেই জানতে চান কী ভাবে যোগেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। অনেকে আবার তাঁকে সাহায্য করার জন্য চাঁদা তোলার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় Zomato-র হস্তক্ষেপে। সংস্থা প্রিয়াংশুকে জানায়- তিনি যেন যোগেশের নম্বরটা পাঠিয়ে দেন, কর্মীরা গিয়ে ওঁকে সংস্থায় অন্তর্ভুক্তিতে সাহায্য করবে।

https://twitter.com/zomatocare/status/1372070078661890050?s=20

সন্দেহ নেই, এই ঘটনা Zomato-র ভাবমূর্তিও দেশের কাছে উজ্জ্বল করে তুলবে। কিছু দিন আগেই এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার ভিডিও মারফত অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে Zomato-কর্মী মেরে তাঁর নাক ফাটিয়ে দিয়েছেন। Zomato-র ডেলিভারি ম্যান অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেন, জানান যে ওই মহিলা মিথ্যা কথা বলছেন। পুলিশ ওই কর্মীকে গ্রেফতারও করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কী হয়েছিল, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

Published by:Raima Chakraborty
First published: