Home /News /national /
Coronavirus: সন্তানের থেকে দূরে থাকুক করোনাভাইরাস, কাজে আসবে আয়ুষ মন্ত্রকের জারি করা এই সাম্প্রতিক নির্দেশনামা!

Coronavirus: সন্তানের থেকে দূরে থাকুক করোনাভাইরাস, কাজে আসবে আয়ুষ মন্ত্রকের জারি করা এই সাম্প্রতিক নির্দেশনামা!

সন্তানের থেকে দূরে থাকুক করোনাভাইরাস, কাজে আসবে আয়ুষ মন্ত্রকের জারি করা এই সাম্প্রতিক নির্দেশনামা!

সন্তানের থেকে দূরে থাকুক করোনাভাইরাস, কাজে আসবে আয়ুষ মন্ত্রকের জারি করা এই সাম্প্রতিক নির্দেশনামা!

দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন নতুন স্ট্রেইন দেখা যাচ্ছে। কোন স্ট্রেইন কখন কার পক্ষে ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে, তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু এটাও অবহেলা করা যাচ্ছে না যে দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন নতুন স্ট্রেইন দেখা যাচ্ছে। কোন স্ট্রেইন কখন কার পক্ষে ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে, তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তাই সময় থাকতে থাকতে সাবধান হওয়াটাই উচিত!

    উপরের কথাগুলো সম্প্রতি সরকারের আয়ুষ মন্ত্রক তাদের এক নির্দেশনামা মারফত জানিয়েছে। এই নির্দেশনামার মূল উদ্দেশ্য হল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিশুদের রক্ষা করা। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, করোনার তৃতীয় তরঙ্গে শিশুরা সংক্রমিত হতে পারে, এই আশঙ্কা ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা পোষণ করেছেন। অন্যদিকে, শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হলেও কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও আছে। যেমন, ওবেসিটিতে আক্রান্ত শিশু, যাদের টাইপ ১ ডায়াবেটিস আছে, হার্টের সমস্যা আছে বা অন্য কোনও কারণে ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই সব ক্ষেত্রে তারা কতটা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়!

    দেশে ২ থেকে ১৮ বছরের নাগরিকদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার ট্রায়ালের কাজ অবশ্য শুরু হয়েছে। কিন্তু তার আগে সঙ্গে থাক আয়ুষ মন্ত্রকের এই সুপরামর্শগুলো, যা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও দৃকপাত করতে ভোলেনি!

    ১. শিশুদের হাত ধোওয়ায় উৎসাহ দিতে হবে, এর গুরুত্ব বোঝাতে হবে। যাতে তারা স্বতস্ফূর্ত ভাবে এটা করে, তার জন্য মাঝে মাঝে কোনও পুরস্কারের বন্দোবস্ত করা যায়, তাদের প্রিয় একটা কিছু রেঁধে দেওয়া যায়।

    ২. শিশুদের একই ভাবে মাস্ক পরে থাকা অভ্যাস করাতে হবে। ২-৫ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তাদের মাস্ক পরিয়ে রাখতে পারলে ভালো হয়। কিন্তু যাদের বয়স ৫-১৮ বছরের মধ্যে, তাদের বাধ্যতামূলক ভাবে মাস্ক পরতেই হবে।

    ৩. চার পাঁচ দিন ধরে একটানা জ্বর, খিদে কমে যাওয়া, ক্লান্ত হয়ে পড়া, শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়া- শিশুদের ক্ষেত্রে এগুলো হল করোনায় সংক্রমণের লক্ষণ। এমন দেখলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

    ৪. শিশুর মধ্যে এমন লক্ষণ দেখলে বাড়ির বয়স্ক সদস্যের কাছে তাদের যেতে না দেওয়াই ঠিক হবে।

    ৫. শিশুদের ঈষদুষ্ণ জলপান করাতে হবে।

    ৬. ঘুম থেকে ওঠা এবং ঘুমোতে যাওয়ার আগে ২ বছরের শিশুদের দাঁত মাজা বাধ্যতামূলক।

    ৭. ৫ বছর হয়ে গেলে নাসাপথ পরিষ্কার রাখার জন্য অয়েল পুলিং, কণ্ঠনালী পরিষ্কার রাখার জন্য গার্গল করাতে হবে নিয়মিত।

    ৮. অক্সিজেন স্যাচুরেশন ঠিক রাখার জন্য ৫ বছরের উর্ধ্বের শিশুদের প্রাণায়াম করানো যায়।

    ৯. হলুদ মেশানো দুধ, চ্যবনপ্রাশের নিয়মিত সেবন শিশুর ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করবে।

    ১০. শিশুদের ভালো করে ঘুম এবং পেট ভরে খাওয়া দরকার; প্রয়োজন তাদের থাকার জায়গা নিয়মিত স্যানিটাইজ করা!

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published:

    Tags: Coronavirus, COVID-19

    পরবর্তী খবর