৪৫ দিনে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের তহবিলে টাকা উঠল ₹২১০০০০০০০০০

৪৫ দিনে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের তহবিলে টাকা উঠল ₹২১০০০০০০০০০

অযোধ্যায় রামমন্দিরের নকশা

৪৫ দিনের মধ্যেই সেই তহবিলে টাকা জমা পড়েছে দু'হাজার একশো কোটি টাকা। শনিবার এই তহবিলে টাকা তোলার কাজ শেষ হয়েছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরির জন্য দেশজুড়ে তহবিল সংগ্রহের কাজ চলছে। ৪৫ দিনের মধ্যেই সেই তহবিলে টাকা জমা পড়েছে দু'হাজার একশো কোটি টাকা। শনিবার এই তহবিলে টাকা তোলার কাজ শেষ হয়েছে। এই ক'দিনের মধ্যেই এত মানুষের সাড়া পেয়ে অভিভূত মন্দির কমিটির সদস্যরা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ গত বছর মকরসংক্রান্তির দিন এই তহবিলে টাকা তোলার কাজ ঘোষণা করেছিল। সেই থেকে শনিবার পর্যন্ত চলল এই রাম মন্দির নিধি সমর্পণের কাজ।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পশ্চিমবঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছিল, এ রাজ্যে অর্থসংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছিল ৫০ কোটি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে পরিষদ। তখনই দেশ জুড়ে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মার্চ পয়লায় সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,১০০ কোটি টাকায়। মানুষের এমন উন্মাদনাকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে এককথায়, 'অবিস্মরণীয়, অভূতপূর্ব এবং আবেগপূর্ণ' বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

    সংগঠনের কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেছেন, 'দেশের ৪০ লক্ষ কার্যকর্তা, ১০ লক্ষ দল তৈরি করে পৃথিবীর এই বৃহত্তম প্রচার ও অর্থ সংগ্রহ অভিযান চালিয়েছেন। তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন দেশের বিভিন্ন শহর, গ্রামে মানুষের দরজায় দরজায়। যে ভাবে সাধারণ মানুষ ভগবান রাম-এর প্রতি তাঁদের ভক্তি প্রদর্শন করেছেন, তা অবাক করেছে সকলকে।' যখন এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন কথা ছিল মোট ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের বিপুল অংশগ্রহণের ফলে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।

    গত জানুয়ারি মাসের ১৫ তারিখে মন্দির নির্মাণের জন্য ৫ লক্ষ ১০০ টাকা তুলে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এরপর নানা মহল থেকে রামমন্দির নির্মাণের টাকা এসেছে। দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, সাংসদ গৌতম গম্ভীর-সহ অনেকেই। দেশের প্রথম নাগরিক থেকে শুরু করে একজন দরিদ্র পথবাসীও এই মন্দির নির্মাণে সাহায্য করেছেন। এমনকী মুসলিম বহু মানুষও এই মন্দির নির্মাণের জন্য এগিয়ে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: