Breaking: অযোধ্যা মামলায় নাটকীয় শুনানি, এজলাসেই নকশা ছিঁড়ে ফেললেন আইনজীবী

মামলা থেকে সরতে চায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2019 03:32 PM IST
Breaking: অযোধ্যা মামলায় নাটকীয় শুনানি, এজলাসেই নকশা ছিঁড়ে ফেললেন আইনজীবী
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2019 03:32 PM IST

#নয়াদিল্লি: অনেক হয়েছে, বিকেল পাঁচটার মধ্যেই শেষ হবে বিতর্কিত জমি অযোধ্যা মামলার শুনানি ৷ দিনের শুরুতেই জানিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ৷ টানা ৩৯ দিন শুনানির পর ৪০ তম দিনেই শুনানি শেষের নির্দেশ ৷ শুনানি যত এগোচ্ছে ততই সামনে আসছে একের পর এক নাটকীয় মোড় ৷ এজলাসেই হিন্দু মহাসভার দেওয়া রাম মন্দিরের নকশা ছিঁড়ে ফেললেন ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবী ৷ অন্যদিকে, মামলা থেকে সরতে চেয়ে হলফনামা সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের ৷ নয়া মোড় অযোধ্যা মামলায় ৷১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অযোধ্যায় ১৪৪ ধারা ৷

নকশা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় আদালত কক্ষে ৷ ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে আদালত কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন ৷ রামমন্দিরের নকশায় রাম জন্মস্থান চিহ্নিত করে আইনজীবী কে পরাসরণ সওয়াল করেন, ‘রামের এই জন্মস্থানটিকে নিয়ে চলছে লড়াই ৷ সেই স্থানেই মন্দির গড়তে চায় হিন্দুরা ৷ অযোধ্যায় আরও ৫০-এর উপর মসজিদ রয়েছে ৷ মুসলিম ব্যক্তিরা চাইলে যে কোনও মসজিদতেই নামাজ পড়তে পারেন ৷’ সেই নকশাই এদিন ছিঁড়ে ফেলেন ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবী ৷

২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গত ৬ অগাস্ট অযোধ্যা মামলার শুনানি শুরু করেছিল ৷ প্রধানবিচারপতি জানিয়ে দেন, ১৭ অক্টোবরের মধ্যেই অযোধ্যা মামলার শুনানি শেষ করবে শীর্ষ আদালত ৷ তাই প্রতিদিন শুনানির ব্যবস্থা করা হয়৷

২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, অযোধ্যার ২.৭৭ একরের বিতর্কিত জমিটি তিনটি পার্টি, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মহি আখরা ও রাম লালা-র মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে৷ এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ১৪টি পিটিশন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে৷ কমবেশি ৫টি মামলা দায়ের করা হয় নিম্ন আদালতে ৷মার্চ থেকে মধ্যস্থতা আলোচনা শুরু করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারক এফএম কালিফুল্লা, আধ্যাত্মিক গুরু রবি শঙ্কর, ও প্রবীণ আইনজীবী শ্রীরাম পঞ্চুর প্যানেল। কিন্তু কোনও পক্ষই সহমত না হওয়ায় ৬ অগাস্ট থেকে রোজ শুনানি শুরু হয়। ১৯৯২-এর ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়। তিন দশক ধরে চলা মামলায় কয়েকশো সাক্ষীর হদিশ নেই। মৃত্যু হয়েছে অনেকের। তবে এবার মামলা দ্রুত শেষ করতে উদ্যোগী শীর্ষ আদালত।

First published: 01:51:25 PM Oct 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर