দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কেরলে ভয়াবহ ধস, মৃত ১২! কাদা মাটির নীচে ৬০ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা

কেরলে ভয়াবহ ধস, মৃত ১২! কাদা মাটির নীচে ৬০ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা
ঘুমের মধ্যেই ধসে চাপা পড়েন বহু চা শ্রমিক৷ PHOTO- ANI

প্রাথমিক পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় ধস নেমেছে সেখানে ছড়িয়ে- ছিটিয়ে অন্তত ৮৪ জন শ্রমিক থাকতেন৷

  • Share this:

#ইড়ুক্কু: ধস নেমে কেরলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা৷ কাদা মাটি এবং পাথরের তলায় চাপা পড়ে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, আরও অন্তত ৬০ জন মাটির নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ কেরলের ইড়ুক্কি জেলার রাজাক্কড়ের একটি চা বাগানের শ্রমিক মহল্লায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে৷

ভারী বৃষ্টির মধ্যেই এ দিন ভোরের দিকে আচমকা ধস নামে ওই বস্তিতে৷ কাদামাটির সঙ্গে পাথরের স্তূপে চাপা পড়ে বস্তির একটি বড় অংশ৷ উদ্ধারকাজ শুরু হলেও প্রবল বৃষ্টি এবং কুয়াশার কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই ১০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷

প্রথমে এই দুর্ঘটনার কথা জানতে পারেনি প্রশাসন৷ ভোরের আলো ফোটার পর আহত এক শ্রমিকই কোনওরকমে বেরিয়ে এসে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যানের আধিকারিকদের খবর দেন৷

কেরলের রাজস্ব মন্ত্রী ই চন্দ্রশেখরন জানিয়েছেন, 'অত্যন্ত বড়মাপের বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে৷ পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকাজ এমনিতেই কঠিন, তার উপরে প্রবল বৃষ্টিতে ওই বস্তিতে যাওয়ার রাস্তাগুলিও ধুয়ে গিয়েছে৷ আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর জন্য আমরা বায়ুসেনারও সাহায্য চেয়েছি৷ কিন্তু এই ধরনের প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে তা সম্ভব নয়৷' ইতিমধ্যেই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে৷

ওই অঞ্চলে গত তিন দিন ধরেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল৷ যার জেরে মোবাইল নেটওয়ার্ক সহ যোগাযোগের যাবতীয় মাধ্যম ঠিক মতো কাজ করছিল না৷ যে কারণে উদ্ধারকাজ শুরু হতেও দেরি হয়৷ ভোররাতের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটায় গভীর ঘুমের মধ্যেই অনেকে ধসে চাপা পড়ে যান৷ ফলে তাঁরা বেরিয়ে আসারও সুযোগ পাননি৷

প্রাথমিক পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় ধস নেমেছে সেখানে ছড়িয়ে- ছিটিয়ে অন্তত ৮৪ জন শ্রমিক থাকতেন৷ তাঁদের অধিকাংশই প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুর বাসিন্দা৷ যে এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটি মুন্নার থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত৷ ২০১৮ সালে প্রবল বর্ষণে ভেসে গিয়েছিল কেরলের এই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 7, 2020, 3:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर