• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • চিরঘুমের দেশে বাজপেয়ী, এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁর বাড়ির ‘বাঙালি’ পুরোহিত

চিরঘুমের দেশে বাজপেয়ী, এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না তাঁর বাড়ির ‘বাঙালি’ পুরোহিত

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

  • Share this:

     #বালুরঘাট: বাজপেয়ী আর নেই। চিরঘুমের দেশে বিকাশ পুরুষ। মন খারাপ দেশের। মন ভালো নেই বালুরঘাটের সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীরও। শেষদেখা হল না। বাজপেয়ীর পছন্দের পূজারির চোখ সরছে না টিভি থেকে। মন খারাপ মালদহেরও।

    সালটা ১৯৯৮। দিল্লির এক ছাত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ। তাঁর মাধ্যমেই প্রথম পা দেওয়া অটলবিহারী বাজপেয়ীর দিল্লির বাড়িতে। উপলক্ষ নারায়ণ পুজো। বালুরঘাটের চকভৃগুর বাসিন্দা সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর পুজোর ধরণ মনে ধরে বাজপেয়ীর। তারপর থেকে বহুবার তাঁর বাড়িতে পুজো করেছেন সৌরেন্দ্রনাথ।

    বাজপেয়ীর ইচ্ছে ছিল বাংলায় গীতা পাঠ করাবেন। সেই কাজেও ডাক পড়েছিল সৌরেন্দ্রনাথের। গীতাপাঠের পর দরাজ সার্টিফিকেটও দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। বাজপেয়ীর বাড়িতে শেষবার পুজো করেন ২০১৫ সালে। বাজপেয়ীর শরীর তখন বেশ খারাপ। হুইলচেয়ারে বসে পুজো দেখেন। তারপরও শুধুমাত্র বাজপেয়ীকে দেখতে দিল্লির বাড়ি গিয়েছিলেন। আর ডাক পাবেন না। দেখা হবে না জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ মানুষটার সঙ্গে । মন ভালো নেই বিরাশি বছরের প্রাক্তন শিক্ষকের।

    আরও পড়ুন 

    Atal Bihari Vajpayee : বাংলার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য যোগ, বাঙালি ছেলের সঙ্গেই একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন ‘অবিবাহিত’ বাজপেয়ী

    মন খারাপ মালদহেরও। দলীয় প্রচারই হোক, বা বন্যা ত্রাণে অর্থ বরাদ্দ। কিংবা একলাখি রেল প্রকল্প। মালদহ সবসময়েই তাঁর ফার্স্ট প্রায়োরিটি। জনসংঘের সময় থেকেই সাংগঠনিক সূত্রে মালদহে যাতায়াত শুরু বাজপেয়ীর। প্রথমবার আসেন ৬২ সালে। এরপর বারবারই এসেছেন। কখনও দলীয় কাজে। কখনও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। চাঁচোলের কলিগ্রামের ক্ষীর থেকে আম, আমসত্ত্ব। সবই ছিল তাঁর বিশেষ পছন্দের। দিল্লির রাস্তায় যখন শেষযাত্রায় বাজপেয়ী, তখন স্মৃতির ভারে ক্লান্ত মালদহ।

    আরও পড়ুন  ড্রিম গার্ল হেমা মালিনীর ভক্ত ছিলেন বাজপেয়ী, ‘সীতা অউর গীতা’ দেখেছিলেন ২৫ বার

    দিল্লির রাস্তায় রাজপেয়ীর অন্তিমযাত্রায় সামিল নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। মালদহ, বালুরঘাটে স্মৃতিচারণায় ফিরে দেখা বিকাশ পুরুষকে।

    First published: