Doctors Attacked at Delhi: লজ্জাজনক! ICU বেড নেই, রাজধানীর রোগী মৃত্যুতে বেধড়ক মার খেলেন ডাক্তাররা

Doctors Attacked at Delhi: লজ্জাজনক! ICU বেড নেই, রাজধানীর রোগী মৃত্যুতে বেধড়ক মার খেলেন ডাক্তাররা

লজ্জা!

যাঁরা নিজেদের প্রাণ বাজি রেখে মানুষের সেবা করে চলেছেন, এবার দিল্লিতে সেই চিকিৎসকরাই আক্রমণের মুখে পড়লেন!

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: প্রবলভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (Second Wave of Coronavirus) আছড়ে পড়েছে ভারতে। আর তাতে মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থা রাজধানী দিল্লিতে (Corona in Delhi)। চারিদিকে অক্সিজেন নিয়ে হাহাকার, মৃত্যুমিছিল। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু যাঁরা নিজেদের প্রাণ বাজি রেখে মানুষের সেবা করে চলেছেন, এবার দিল্লিতে সেই চিকিৎসকরাই আক্রমণের মুখে পড়লেন!

    জানা গিয়েছে, দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে এদিন সকালে ৬৭ বছর বয়সী এক করোনা আক্রান্তকে ভর্তি করতে আনেন বাড়ির লোকেরা। কিন্তু হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, রোগীর যা পরিস্থিতি, তাতে তাঁকে ICU-তে ভর্তি করতে হবে। কিন্তু হাসপাতালে এই মুহূর্তে তা নেই। স্বাভাবিক কারণেই কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যু হয় ওই রোগীর।

    আর এরপরই ওই রোগীর বাড়ির আত্মীয়তা হিংসাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। মারধর করা হয় হাসপাতালের কর্মী থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁরা ওই হাসপাতালেই পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এমনকী খবর পাওয়া সত্ত্বেও অন্তত একঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে বলে অভিযোগ।

    দিল্লিতে বিগত কয়েকদিনে অক্সিজেনের ঘাটতি, হাসপাতালের বেড না থাকার কারণে মৃত্যুমিছিল চলছে। আর তাই এবার অন্য দেশের থেকে সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দিল্লি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, ব্যাংকক ও ফ্রান্স থেকে ১৮টি অক্সিজেন ট্যাঙ্কার ও ২১টি অক্সিজেন প্লান্ট আমদানি করছে দিল্লি সরকার।

    গত কয়েকদিনে কেন্দ্রের কাছে তো বটেই, অন্যান্য রাজ্যগুলির কাছেও অক্সিজেনের জন্য কড়জোড়ে সাহায্য চেয়েছেন কেজরিওয়াল। তাঁর কথায়, 'বিগত কয়েকদিনে আমি বহু শিল্পপতি ও অন্যান্য রাজ্যসরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছি। সবার থেকে সাহায্য ও সমর্থন পেয়েছি। এই সঙ্কটে যারা দিল্লি সরকারের পাশে দাঁড়াচ্ছে তাদের ধন্যবাদ।'

    Published by:Suman Biswas
    First published: