দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পুরনো টিভি জোগাড় করে কুকুরের ঘর বানিয়ে রাস্তায় রেখে আসছেন অসমের যুবক !

পুরনো টিভি জোগাড় করে কুকুরের ঘর বানিয়ে রাস্তায় রেখে আসছেন অসমের যুবক !

কেউ কোনও জিনিস ফেলে দেওয়ার কথা ভাবলেই ডাক পড়ে অভিজিতের। নিজের বাইকের পিছনে বেঁধে সেইসব জিনিস তিনি নিয়ে যান নিজের বাড়িতে।

  • Share this:

#অসম: এলসিডির যুগে বড় বাক্স প্যাটার্নের টিভি এখন প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পথে। বাক্স টিভি খারাপ হয়ে গেলে ফেলে দেওয়া ছাড়া আর গতি নেই। কিন্তু এই ফেলে দেওয়া টিভির বাক্স দিয়েই দারুণ একটা জিনিস বানিয়ে ফেলেছেন অসমের (Assam) শিবসাগরের (Sivasagar) যুবক অভিজিৎ দুয়ার (Abhijit Dowarah)।

অভিজিৎ একজন পশুপ্রেমী। তাছাড়াও ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে নানা রকমের উদ্ভাবন করার জন্য পাড়ায় তিনি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয়ও বটে। একদিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি দেখলেন ঠাণ্ডায় খুব কষ্ট পাচ্ছে পথের কুকুররা। আর তখনই বিদ্যুতের মতো মাথায় খেলে গেল দারুণ এক বুদ্ধি। বাড়ি এসে ফেলে দেওয়া পুরনো টিভিগুলো নিয়ে বসে পড়লেন পথের কুকুরদের আশ্রয় তৈরি করার জন্য। টিভির ভিতর থেকে প্রথমে যন্ত্রপাতি বের করে নিয়ে ফাঁকা করে দিলেন। যন্ত্রপাতি বের করে দিতেই সেটা একটা সুন্দর ছোট্ট ঘরের চেহারা নিয়ে নিল। এর মধ্যে অভিজিৎ পাতলেন নরম চাদরের বিছানা। তারপরে বাক্স ঘরগুলো তিনি সবুজ হলুদ রঙ দিয়ে রাঙিয়ে দিলেন। তৈরি হয়ে গেল তাঁর বাটর ঘর। অসমীয়া ভাষায় যার অর্থ হল পথের ঘর।

এইভাবে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অভিজিৎ তৈরি করে ফেলেছেন অনেকগুলো বাটর ঘর। শুধু মাথা গোঁজার ঠাইটুকু পেলেই তো আর হল না।তার সঙ্গে পেটে খাবারও দরকার।তাই বছর ৩২ এর অভিজিৎ এই অসহায় পশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করেছেন। অভিজিৎকে এই কাজে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন শহরের অন্যান্য পশুপ্রেমীরাও। এখনও অনেক বাটর ঘর তৈরি করা বাকি। আর তাই ফেলে দেওয়া পরিত্যক্ত টিভির সন্ধান করে চলেছেন তিনি।

কেউ কোনও জিনিস ফেলে দেওয়ার কথা ভাবলেই ডাক পড়ে অভিজিতের। নিজের বাইকের পিছনে বেঁধে সেইসব জিনিস তিনি নিয়ে যান নিজের বাড়িতে। এইভাবে তাঁর ঘরে জমে গিয়েছিল সাতখানা পুরনো টিভি। যেগুলো দিয়ে বাটর ঘর বানিয়েছেন তিনি।

এর আগে ঘরোয়া পদ্ধতিতে অভিজিৎ তৈরি করেছেন ইনকিউবেটর, ইনভার্টার, স্যানিটাইজ করার সাইকেল সহ আরও পঞ্চাশটি জিনিস।

পথের কুকুরদের জন্য বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার কাজে অভিজিতের এই উদ্যোগ দেখে খুশি হয়েছেন অঞ্চলের অতিরিক্ত জেলাশাসক। তিনিও অভিজিতকে নানাভাবে সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

Published by: Piya Banerjee
First published: December 15, 2020, 9:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर