• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ASSAM MIZORAM CLASH ASSAM ADVISES PEOPLE NOT TO TRAVEL TO MIZORAM RC

Assam Mizoram Clash: সীমানায় সংঘর্ষের জের, অসম থেকে মিজোরাম যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি সরকারের

সীমানায় সংঘর্ষের জের, অসম থেকে মিজোরাম যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি সরকারের

তাদের উস্কানিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের দু'দিনের মধ্যে দুই রাজ্যের মধ্যে এমন সংঘাত (Assam Mizoram Clash) শুরু হতে পারে।

  • Share this:

    #গুয়াহাটি: অসমের বাসিন্দাদের মিজোরাম যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করল অসম সরকার। শুক্রবার একটি নির্দেশিকায় এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। রাজ্যের বাসিন্দাদের কোনও রকম ব্যক্তিগত ক্ষতি সরকার বরদাস্ত করবে না বলেই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মিজোরাম সরকারের পাল্টা দাবি, সীমানায় সমস্ত অশান্তির কারণ অসম পুলিশ। তাদের উস্কানিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের দু'দিনের মধ্যে দুই রাজ্যের মধ্যে এমন সংঘাত (Assam Mizoram Clash) শুরু হতে পারে।

    অসম সরকারের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, 'সীমানায় সংঘাতের পরও কয়েকটি মিজো সিভিল সোসাইটি, ছাত্রছাত্রী ও যুব সম্প্রদায় ক্রমাগত অসমের বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে চলেছে। অসম পুলিশের হাতে উঠে আসা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখাও গিয়েছে যে সাধারণ বাসিন্দারা হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছেন। সে কারণেই কোনও কাজে মিজোরামে অসমের বাসিন্দাদের যাতায়াত বন্ধ রাখতে বলা হচ্ছে।'

    সোমবার দুই রাজ্যের সীমানায় ব্যাপক অশান্তি ও সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হন অসমের ৬ পুলিশকর্মী। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৫০ জন। তাঁদের শিলচর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। দিনদুয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পর সোমবার অসম ও মিজোরামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সীমানায় গোলা-গুলি, এমনকী সরকারি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনাও ঘটে। এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, দুই রাজ্যের সীমানায় আট কৃষকের কুঁড়েঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন একাজ করে। তার পরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দুই রাজ্যে দীর্ঘদিনের এই বিবাদের মাঝেই অসম ও মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে বলেছিলেন। সূত্রের খবর, উভয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও জোরামথাঙ্গা তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। আপাতত দুই রাজ্যের মধ্যেই দোষারোপের পালা চলছে। আহতদের হাসপাতালে দেখার পর অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ট্যুইট করেছিলেন, 'মিজোরাম গতকাল যা করেছে, আমরা তা করতে পারব না। আমরা কখনও ভারতীয়দের বিরুদ্ধে গুলি ব্যবহার করব না। ওটা আমাদের ডিএনএতে নেই। মিজোরামের সঙ্গে আমাদের কোনও রাজনৈতিক লড়াই নেই। কিন্তু গতকালের পিছনে কারণ আছে।' সেই কারণ ব্যাখ্যাও করেন হিমন্ত। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে মিজোরাম থেকে অনুপ্রবেশ এবং গবাদি পশু পাচার রুখে দিয়েছে অসম। মায়ানমার থেকে যাঁরা মিজোরামে ঢোকেন, তাঁরা অসমে ডিমা হাসাও জেলায় থাকতে চান। তাঁদেরও অসমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন হিমন্ত।

    যদিও অসমের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে মিজোরাম। পালটা মিজোরামের তরফে দাবি করা হয়েছে, অসম পুলিশই মিজোরামের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে গুলি চালিয়েছে। তার পালটা জবাব দিয়েছে মিজোরাম পুলিশ। মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালছামলিয়ানা বলেন, 'অসম পুলিশ মিজোরামে ঢুকে আমাদের লোকজনকে হেনস্থা করতে থাকে। কোনওরকমের হিংসা দুর্ভাগ্যজনক এবং আমরা মৃতদের পরিবারের সমবেদনা জানাচ্ছি।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: