• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • লকডাউনের পর প্রথম খুলল দোকান, দেড় কিমি লম্বা লাইন পড়ল বিরিয়ানির দোকানে

লকডাউনের পর প্রথম খুলল দোকান, দেড় কিমি লম্বা লাইন পড়ল বিরিয়ানির দোকানে

বিরিয়ানিপ্রেমীদের মতে, বিরিয়ানি না খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, খেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল ।

বিরিয়ানিপ্রেমীদের মতে, বিরিয়ানি না খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, খেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল ।

বিরিয়ানিপ্রেমীদের মতে, বিরিয়ানি না খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, খেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল ।

  • Share this:

    #কর্ণাটক: বিরিয়ানি...আহা । সেই আধা হলুদে-সাদায় ভরপুর একরাশ ভালবাসা । সেই সুগন্ধি মাখা লম্বা চালের মাঝখান দিয়ে উঁকি মারছে এক টুকরো সাদা ডিম বা বিশালাকার একটি আলু । গায়ে আলতো করে চাপ দিলেই ভেঙে গিয়ে গরম ধোঁয়ার হালকা রেখা । আর রয়েছে জবরদস্ত একটি মাংসের পিস । মুখে দিলেই স্বর্গ ।

    কমবেশি সব বয়সের মানুষদের কাছেই এ স্বাদের তুলনা নেই । বিরিয়ানির নামটুকুই যথেষ্ট তার রাজকীয়তা আর গ্রহণযোগ্যতা বোঝাতে । এ হেন বিরিয়ানির জনপ্রিয় দোকানটি লকডাউন থেকে ছিল বন্ধ । আর তাই আনলক পর্বে প্রথম দোকান খুলতেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন আট থেকে আশি । না রয়েছে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং, না রয়েছে কোনও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা । শুধু বিরিয়ানির প্রেমে পাগল হয়ে দোকানের সামনে লাইন পড়ল দেড় কিলোমিটার ।

    ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর কাবেরী নামের একটি বিরিয়ানির দোকানে । সরকার খাবারের দোকানের উপর ছাড় দিতেই বিরিয়ানি খেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা । সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় । যেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশাল লম্বা লাইন পড়েছে দোকানটির সামনে । তবে লাইনের অনেকটা অংশই দেখা যাচ্ছে না । প্রকৃতপক্ষে লাইনটি আরও লম্বা।

    ওই এলাকার অত্যন্ত জনপ্রিয় দোকান এই কাবেরী । কিন্তু লকডাউনে দীর্ঘ কয়েকমাস কাবেরীর বিরিয়ানির স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিলেন স্থানীয়রা । তাই বিরিয়ানির দোকান খুলতেই, তাঁদের উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো । বেঙ্গালুরুর সিটি সেন্টার থেকে হসকোট ২৫ কিমি মতো দূরে । বহু দূর থেকে মানুষ আসেন হসকোটের এই কাবেরী রেস্তোরাঁ থেকে বিরিয়ানি কিনতে । তবে এখন যা লাইন পড়ছে, তাতে বিরিয়ানি খেতে গেলে ২-৩ ঘণ্টা পর্যন্তও অপেক্ষা করতে হতে পারে আপনাকে । এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই, বিরিয়ানি লভাররা কেউ কেউ লিখেছেন, বিরিয়ানি না খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, খেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল ।

    Published by:Simli Raha
    First published: