Ayodhya Case: বাবরি মসজিদ ভাঙার কালপ্রিটদের কী হবে? সেই শুনানিও চূড়ান্ত পর্যায়ে

Ayodhya Case: বাবরি মসজিদ ভাঙার কালপ্রিটদের কী হবে? সেই শুনানিও চূড়ান্ত পর্যায়ে
বাবরি মসজিদ

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৫ মিনিট পরেই কয়েক জন কর সেবকের বিরুদ্ধে ধারা ৩৯৫, ধারা ৩৯৭, ৩৩২, ৩৩৭,৩৩৮, ২৯৫, ২৯৭, ১৫৩এ ও আধার ৭-এ এফআইআর ফাইল করা হয়৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে যখন গোটা দেশ, তখন অযোধ্যার আরও একটি মামলার রায়ও লখনৌয়ের একটি আদালত দিতে পারে৷ যার গুরুত্বও অনেকটাই৷ এই দ্বিতীয় মামলাটি ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত৷ এবং ওই ঘটনায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে৷ দীর্ঘ ২৭ বছর পর লখনৌয়ের সিবিআই আদালত ওই মামলার শুনানিতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে৷

প্রায় তিন দশকের পুরনো এই মামলাটিতে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে৷ যাঁদের মধ্যে বেশির ভাগ অভিযুক্তেরই মৃত্যু হয়েছে৷ অভিযুক্তদের মধ্যে ভারতীয় রাজনীতির কয়েকজন হাইপ্রোফাইল নামও রয়েছে৷

বাবরি মসজিদ বাবরি মসজিদ

বাবরি ধ্বংস ও তিনটি পৃথক এফআইআর

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ৫ মিনিট পরেই কয়েক জন কর সেবকের বিরুদ্ধে ধারা ৩৯৫, ধারা ৩৯৭, ৩৩২, ৩৩৭,৩৩৮, ২৯৫, ২৯৭, ১৫৩এ ও আধার ৭-এ এফআইআর ফাইল করা হয়৷ ১০ মিনিট পরে আরও একটি এফআইআর দায়ের করা হয় লালকৃষ্ণ আডবাণী, অশোক সিঙ্ঘল, গিরিরাজ কিশোর, মূরলীমনোহর যোশি, ঊমা ভারতী, বিনয় কাটিয়ার, বিষ্ণু হরি ডালমিয়া ও সাধ্বী রিতম্ভরার বিরুদ্ধে৷ এঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেওয়ার৷

Loading...

এ ছাড়াও সাংবাদিক হেনস্থা, মূল্যবান সামগ্রী লুঠ-সহ একাধিক অভিযোগে আরও ৪৭টি এফআইআর দায়ের করা হয়৷ সব কটি এফআইআর দায়ের করা হয় অযোধ্যার রামজন্মভূমি থানায়৷

সিবিআই মামলা

এফআইআর-গুলি হওয়ার কয়েক দিন পর তত্‍কালীন কেন্দ্রীয় সরকার একটি তাত্‍পর্যপূর্ণ পদক্ষেপ করে৷ ১৯৭ নম্বর মামলাটি প্রস্তাবিত ছিল সিবিআই তদন্তের, কেস নম্বর ১৯৮ ছিল রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে, যা উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সিবি-সিআইডির হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়৷ ১৯৯৩ সালের ২৭ অগাস্ট উত্তরপ্রদেশ সরকার ৪৮টি মামলাই সিবিআই-এর হাতে তদন্তের জন্য তুলে দেয়৷

বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে সব কটি মামলারই তদন্ত করে সব মিলিয়ে একটি চার্জশিট তৈরি করে সিবিআই৷ চার্জশিটে ৪০ জনের নাম ছিল৷ চার্জশিটটি লখনৌয়ে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে পেশ করা হয় ১৯৯৩ সালের ৫ অক্টোবর৷ ১৯৯৬ সালের ১১ জানুয়ারি, সিবিআই একটি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট ফাইল করে আরও ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে৷ অর্থাত্‍ মোট অভিযুক্ত দাঁড়ায় ৪৯৷

আইনি যুদ্ধ

সিবিআই চার্জশিটে বিজেপি ও আরএসএস-এর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নাম ছিল৷

১৯৯৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর

অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের রায় দেন বিশেষ বিচারক৷ কয়েক জন অভিযুক্ত নিম্ন আদালতের চার্জ গঠনের রায়ের বিরুদ্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা করেন৷

২০১৭ সাল থেকে এই মামলাটির দ্রুত শুনানি শুরু হয়৷ এর মাঝে কল্যাণ সিং রাজস্থানের রাজ্যপাল নিযুক্ত হন৷ তাঁর বিরুদ্ধে শুনানি বন্ধ হয়, কারণ তিনি সাংবিধানিক পদে রয়েছেন৷ রাজ্যপালের মেয়াদ ফুরোতেই ফের কল্যাণ সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়৷ ২৭ বছরের পুরনো এই মামলায় অনেক অভিযুক্ত, সাক্ষীরই মৃত্যু হয়েছে৷ প্রয়াত হয়েছেন, বাল ঠাকরে, অশোক সিঙ্ঘল, গিরিরাজ কিশোর-সহ আরও অনেকে৷ ৩০০ সাক্ষীর মধ্যে ৫০ জন মারা গিয়েছেন৷

First published: 12:05:56 PM Nov 09, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर