বিশ্বের সব থেকে ছোট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বানিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে অন্ধ্রের যুবক!

বিশ্বের সব থেকে ছোট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বানিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে অন্ধ্রের যুবক!

অন্ধ্রপ্রদেশের চিতুরের একটি ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন ২১ বছরের তাপালা। ছোটবেলা থেকেই একটু অন্যকরকম জিনিস তৈরি করার প্রতি টান ছিল তার।

অন্ধ্রপ্রদেশের চিতুরের একটি ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন ২১ বছরের তাপালা। ছোটবেলা থেকেই একটু অন্যকরকম জিনিস তৈরি করার প্রতি টান ছিল তার।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: অধিকাংশ ক্ষেত্রে আকার-আয়তনের জন্যই স্মরণীয় থেকে যায় কিছু জিনিস। তা সে পাহাড়প্রমাণ বড় কোনও মূর্তি হোক বা অতি ক্ষুদ্র কোনও শিল্পকলা। এবার সেই রকমই এক নিদর্শন মিলল। বিশ্বের সব চেয়ে ছোট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তৈরি করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের চিতুর জেলার তাপালা নাদামুনি (Tapala Nadamuni)। আর সেই সুবাদেই গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে নাম উঠল এই শিল্পীর।

অন্ধ্রপ্রদেশের চিতুরের একটি ছোট্ট গ্রামে বসবাস করেন ২১ বছরের তাপালা। ছোটবেলা থেকেই একটু অন্যকরকম জিনিস তৈরি করার প্রতি টান ছিল তার। ধীরে ধীরে নানা ধরনের অদ্ভুত সব জিনিস তৈরি করে আশেপাশে সাড়া ফেলে দেন তরুণ তাপালা। সেই সূত্রেই পরের দিকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (National Institute of Technology) সুযোগ পেয়ে যান তিনি। এর পর ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তৈরি নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়।

গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। 7V (DC) মোটর ব্যবহার করে একটি ২.২ cm ও ০.৯ ইঞ্চি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তৈরি করেন তাপালা। এক্ষেত্রে পেনের ক্যাপ, জাল, রবার-সহ নানা ধরনের সামগ্রী ব্যবহার করেছিলেন তিনি। প্রথমে ছোট জালের টুকরো দিয়ে ফিল্টার তৈরি করা হয়। এর পর মোটরকে ধরে রাখার জন্য রবার ব্যবহার করা হয়। একই ভাবে ক্লিনারের প্রোপেলারের জন্য মেটাল শিট ও ক্লিনারের নব তৈরি করতে সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হয়। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে যাতে পাশ থেকে হাওয়া না ঢোকে, সেই জন্য রবার টেপ দিয়ে ফাঁকা জায়গাগুলিও ভালো করে মুড়ে দেন তিনি। এ ভাবেই একটি ছোট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বানিয়ে ফেলেন। উল্লেখ্য, এটিও সেই সময়ের প্রেক্ষিতে ক্ষুদ্রতম ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ছিল।

আরও পড়ুন শরীরের অতিরিক্ত লোম তুলতে ২ কোটি টাকা রূপটান মহিলার, হলেন অসুস্থ, শরীরে বাসা বাঁধল জটিল রোগ

এবার ফের নিজের রেকর্ড ভাঙলেন তাপালা। তৈরি করলেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ভ্যাকুয়াম ক্লিনার। একই মোটর অর্থাৎ 7V (DC) মোটর ব্যবহার করে একটি ১.৭ cm ও ০.৭ ইঞ্চি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তৈরি করলেন তিনি। News18-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাপালা জানান, লকডাউনের সময় থেকেই এই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার তৈরি করা নিয়ে গবেষণা শুরু। শেষমেশ যাবতীয় পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা পেয়েছে এই কাজ। সত্যি বলতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে এক আলাদা অনুভূতি হচ্ছে। তবে বাবা-মা ও অধ্যাপকরা সব সময় পাশে থেকেছেন।

এই বিষয়ে, তাপালার বাবা-মার কথায়, ছেলের এই সাফল্যে অত্যন্ত খুশি। আমরা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সম্পর্কে সত্যিই কিছু জানি না। আশেপাশে এমনকি গ্রামের সবাই বলছে, আমাদের ছেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। শুনেই ভাল লাগছে!

Published by:Pooja Basu
First published: