দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দিল্লি অবরুদ্ধ করার হুমকি কৃষকদের, গভীর রাতে বৈঠকে অমিত শাহ

দিল্লি অবরুদ্ধ করার হুমকি কৃষকদের, গভীর রাতে বৈঠকে অমিত শাহ
দিল্লির বিভিন্ন প্রবেশ পথ অবরুদ্ধ করার হুমকি দিয়েছেন কৃষকরা৷

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কৃষকরা যদি শুধুমাত্র দিল্লি বুরারিতে সরকারের চিহ্নিত করে দেওয়া জায়গাতেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখান, তাহলে আগামী ৩ ডিসেম্বর তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অমিত শাহের শর্তসাপেক্ষে আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন বিক্ষোভকারী চিকিৎসকরা৷ উল্টে দিল্লি অবরুদ্ধ করার ডাক দিয়ে আরও বেশি সংখ্যক কৃষক জড়ো হয়েছেন দিল্লি- হরিয়ানা সীমান্তে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার গভীর রাতে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে তাঁর বাড়িতে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার৷

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কৃষকরা যদি শুধুমাত্র দিল্লি বুরারিতে সরকারের চিহ্নিত করে দেওয়া জায়গাতেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখান, তাহলে আগামী ৩ ডিসেম্বর তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে৷ কিন্তু সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন কৃষকরা৷ তাঁরা হুমকি দিয়েছেন, সোনিপথ, রোহতক, জয়পুর, গাজিয়াবাদ-হাপুর এবং মথুরা- দিল্লির এই পাঁচটি প্রবেশপথ বন্ধ করে দেবেন তাঁরা৷

কৃষকদের বিক্ষোভের জেরে এ দিন সকাল থেকেই দিল্লিতে প্রবেশের টিকরি, সিংঘু সীমান্তে যান চলাচল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ৷ গাজিপুর সীমান্তও আংশিক সিল করা হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, গোটা দেশেই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন কৃষক নেতারা৷

গত তিন দিন ধরে দিল্লি সীমান্তের কাছে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন হাজার হাজার কৃষক৷ মূলত পঞ্জাব এবং হরিয়ানা থেকে জড়ো হয়েছেন এই কৃষকরা৷ নতুন পাশ হওয়া তিনটি কৃষি আইন বাতিল এবং ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা৷ রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাব খারিজ করে দিয়ে তাঁরা দাবি করেন, কোনও শর্ত ছাড়াই তাঁদের আলোচনায় ডাকা উচিত ছিল সরকারের৷ কৃষকদের আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দিষ্ট করে দেওয়া জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে গেলে সেটিকেই অস্থায়ী জেল হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে৷

গত কয়েক দিন ধরেই কৃষকদের আটকাতে জল কামান , টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেও তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যর্থ হয় হরিয়ানা পুলিশ৷ কৃষকদের বিক্ষোভের পিছনে খলিস্তানি মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার৷ তাতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে৷ কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং-এর সঙ্গে কথা লড়াইতে জড়ান মনোহর লাল খাট্টার৷ হরিয়ানার পুলিশও কৃষকদের আন্দোলন থামাতে যে ধরনের আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছে, তারও সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে৷ আন্দোলনের তীব্রতা যত বাড়ছে, চাপ বাড়ছে কেন্দ্রের উপরে৷ বাধ্য আসরে নামেন অমিত শাহ৷ কিন্তু তাঁরও প্রস্তাবও খারিজ করে দিলেন অনড় কৃষকরা৷ পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগে তাই দলের সভাপতি জে পি নাড্ডা এবং কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারের সঙ্গে গভীর রাতে আলোচনায় বসলেন অমিত শাহ৷ এমন কি, কৃষকদের ক্ষোভ প্রশমনে অমিত শাহ এমনও বলেছেন, কৃষকদের বিক্ষোভের পিছনে কোনও রাজনৈতিক উস্কানি নেই৷ তবে তিনটি নতুন আইনই কৃষকদের মঙ্গলেই প্রণয়ন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: November 30, 2020, 10:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर