• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • চিন-পাকিস্তানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে নৌবাহিনীর হাতে দ্রুত আসতে পারে মার্কিন সুপার হর্নেট

চিন-পাকিস্তানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে নৌবাহিনীর হাতে দ্রুত আসতে পারে মার্কিন সুপার হর্নেট

photo source/military leak

photo source/military leak

সংস্থার ইঞ্জিনিয়াররা ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন এনেছেন সুপার হর্নেট বিমানে। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে বিমানটি স্কি জাম্প প্রক্রিয়া সফলতার সঙ্গে অতিক্রম করেছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: গেট,সেট,গো! খুব তাড়াতাড়ি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনীতে। রুশ যুদ্ধবিমান মিগ ২৯ কে -র বদলে যুক্ত হতে পারে মার্কিন সুপার হর্নেট বিমান। দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় নৌবাহিনী রুশ বিমান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে। নৌবাহিনীর হাতে এই মুহূর্তে ৪২ টি মিগ ২৯ কে রয়েছে। সম্প্রতি ভারত মহাসাগরে কোয়াড এক্সারসাইজ চলাকালীন এই বিমানগুলো নিয়ে কিছু অভিযোগ সামনে আসে।এই বিমানটি চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন খারাপ হওয়ার কারণে ক্যাপ্টেন নিশান্ত সিং দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। প্রায় দশদিন পর আরব সাগরে গোয়ার সমুদ্রতটের কাছে তাঁর দেহ পাওয়া যায়।

    এছাড়াও চিনের বিরুদ্ধে লাদাখে এই বিমানগুলি পাঠানো হয়েছিল। নৌ বাহিনী নতুন যুদ্ধবিমানের খোঁজ চালাচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। মার্কিন সুপার হর্নেট আলোচনার মধ্যেই থাকলেও একটি কারণে চূড়ান্ত হওয়া থেকে আটকেছিল। ভারতের এই মুহূর্তে যে দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার রয়েছে অর্থাৎ,আইএনএস বিক্রান্ত এবং আইএনএস বিক্রমাদিত্য, দুটিতেই যে ধরণের টেক অফ পদ্ধতি, সেটা ছিল না এই মার্কিন যুদ্ধ বিমানে। কিন্তু প্রস্তুতকারক সংস্থা বোইং ভারতীয় নৌবাহিনীকে জানিয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি ভারতের এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার থেকে টেক অফ করার দক্ষতা সম্পন্ন করা হবে বিমানটিকে।

    সেই মতো সংস্থার ইঞ্জিনিয়াররা ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন এনেছেন সুপার হর্নেট বিমানে। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে বিমানটি স্কি জাম্প প্রক্রিয়া সফলতার সঙ্গে অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে বিমানটি এখন ভারতের যুদ্ধজাহাজ থেকে টেক অফ করার ক্ষমতা রাখে। বোইং অবশ্য জানিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য যে যুদ্ধবিমান তাঁরা আপডেট করছেন তা সুপার হর্নেটের থেকেও এগিয়ে। এই নতুন মডেলটির নাম সুপার হর্নেট ব্লক থ্রি। মূলত নৌবাহিনীর জন্য তৈরি করা হলেও প্রয়োজনে বিমানবাহিনীও ব্যবহার করতে পারবে।

    আধুনিক রাডার, ডিজিটাল ককপিট, ক্যানন ছাড়াও আধুনিক জিপিএস এবং সেন্সর লাগানো হয়েছে বিমানে। একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানতে সক্ষম। এয়ার টু এয়ার এবং এয়ার টু গ্রাউন্ড দুটি ক্ষেত্রেই সফল অপারেশন চালানোর ক্ষমতা রাখে এই আধুনিক হর্নেট। বেশি পরিমাণে অস্ত্র বহন করতে পারে। মিগের তুলনায় বেশি ওজন বহন করতে পারার ক্ষমতা এবং গতিতে এগিয়ে। তবে ভারতীয় নৌ-বাহিনী একপ্রকার এই বিমানটি চূড়ান্ত করে ফেললেও সরকারি ঘোষণা করেনি। ৫৭ টি বিমানের জন্য লড়াইয়ে রয়েছে ফ্রান্স, রাশিয়া,সুইডেনের মত কিছু দেশ। তবে সুপার হর্নেটের পাল্লা ভারী।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: