MQ-9A Reaper drone: চিন, পাকিস্তানের মোকাবিলায় আসছে 'মার্কিন মৃত্যুদূত'

MQ-9A Reaper drone: চিন, পাকিস্তানের মোকাবিলায় আসছে 'মার্কিন মৃত্যুদূত'

মার্কিন মৃত্যুদূত প্রিডেটর ড্রোন আসতে চলেছে ভারতে

আমেরিকার শক্তিশালী এম কিউ নাইন ড্রোন কিনবে ভারত। কথাবার্তা চূড়ান্ত

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বিখ্যাত ইরানি কমান্ডার কাসিম সুলেমানি যখন বাগদাদ বিমানবন্দরের বাইরে গাড়িতে যাচ্ছিলেন, তখন আচমকা আকাশ থেকে একটি 'মৃত্যুদূত' এসে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল তাঁর গাড়ি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই কমান্ডারের। এবার সেই 'মৃত্যুদূত' আসতে চলেছে ভারতের হাতে। আমেরিকার শক্তিশালী এম কিউ নাইন ড্রোন কিনবে ভারত। কথাবার্তা চূড়ান্ত, আমেরিকান প্রতিরক্ষা সচিব ভারতে আসার সময় এই চুক্তি সরকারিভাবে ঘোষণা করার কথা।

    কাশ্মীরের গভীর খাদ হোক বা লাদাখের পাহাড়ের চুড়ো, উত্তর-পূর্ব ভারতের গভীর জঙ্গল, কোনও কিছুই বাদ যাবে না এই ড্রোনের নজরদারি থেকে। এই ড্রোন আসা মানে ভারতের শক্তি বৃদ্ধি এবং শত্রুদের রাতের ঘুম উড়ে যাওয়া। মানুষ ছাড়াই উড়বে, নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানবে। এক একটি ড্রোন প্রায় সতেরোশো কেজি অস্ত্র বহন করতে পারে। লেজার গাইডেড বোম্ব নিয়ে উড়তে সক্ষম। আধুনিক জিপিএস এবং রাডার লাগানো রয়েছে ড্রোনে। এর ফলে যেমন শত্রু শিবিরকে ধ্বংস করা যাবে, তেমনই নিজেদের বাহিনীর অযথা প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব।

    মার্কিন সংস্থা জেনারেল অ্যাটমিক্সের তৈরি তিরিশটি ড্রোন নিচ্ছে ভারত। তিন বিলিয়ন ডলারের চুক্তি। তিন বাহিনী দশটি করে ড্রোন পাবে। এখন ভারত হেরন এবং হ্যারোপ ড্রোন ব্যবহার করে। কিন্তু এগুলো শুধুমাত্র নজরদারি চালাতে সক্ষম, মার্কিন ড্রোন একইসঙ্গে নজরদারি এবং হামলা করতে পারে। এই চুক্তির ফলে ভারতের সামরিক শক্তি যে অনেকখানি বৃদ্ধি পেল তাতে সন্দেহ নেই। এই ড্রোন মার্কিন সেনার কাছে প্রিডেটর ড্রোন নামেই বিখ্যাত। ইরাক থেকে শুরু করে আফগানিস্তান এবং সিরিয়ায় ব্যবহার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য চিন বেসামরিক ড্রোন তৈরিতে প্রচুর প্রচেষ্টা বিনিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যুদ্ধবিমানের বিকাশকারী ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। ড্রোন প্রযুক্তি সম্পর্কিত গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে চিন শীর্ষস্থানীয় একটি দেশ। ভারতকে চাপে রাখার জন্য পাকিস্তানকেও তাঁরা আধুনিক ড্রোন সরবরাহ করেছে। কিন্তু এই মার্কিন ড্রোন টানা একদিন আকাশে উড়তে পারে। এই জায়গায় পিছিয়ে চিনা ড্রোন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: