corona virus btn
corona virus btn
Loading

টু-জি দুর্নীতি মামলায় সব অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস

টু-জি দুর্নীতি মামলায় সব অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস
A Raja and DMK MP Kanimozhi, have been acquitted by a special CBI court.

আজ টু-জি দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা সিবিআই-এর বিশেষ আদালত।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: টুজি স্পেকট্রাম দুর্নীতি মামলায় স্বস্তিতে ডিএমকে, স্বস্তিতে ইউপিএ। এই মামলায় প্রাক্তন টেলিকম মন্ত্রী এ রাজা, ডিএমকে নেত্রী কে কানিমোঝি সহ উনিশজনকে বেকসুর রেহাই দিল বিশেষ সিবিআই আদালত। রায়ে বিচারক জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেনি সিবিআই। রায় নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি এ রাজা। তবে কানিমোঝি জানিয়েছেন, এই রায় ডিএমকে পরিবারের প্রতি সমস্ত দোষারোপের জবাব।

টুজি স্পেকট্রাম বন্টনে এক লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি। দুহাজার সাত সালে দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় হওয়া এই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আনে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন। দেশের বৃহত্তম এই দুর্নীতি মামলার প্রায় দশ বছর পর বেকসুর খালাস পেলেন প্রাক্তন টেলিকম মন্ত্রী এ রাজা, ডিএমকে নেত্রী কে কানিমোঝি সহ উনিশজন অভিযুক্ত। এই মামলায় সমস্ত অভিুযুক্তকেই এদিন আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

- দশটা পাঁচ মিনিটে এজলাসে আসেন বিচারক ও পি সাইনি। রায়ের ফাইল চাওয়ার পর তিনি জিজ্ঞাসা করেন, সকলে এসেছেন কিনা? সমস্ত অভিযুক্তই হাত তুলে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেন।

- রায় পড়া শুরু করেন বিচারক। তিনি বলেন, তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। সেজন্য সব অভিযুক্তকেই বেকসুর রেহাই দিচ্ছে আদালত। - বিচারকের সামনেই বাঁদিক ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিলেন এ রাজা। তাঁর ডানদিকে ছিলেন কানিমোঝি। - এঁদের পেছনে অন্য অভিযুক্তরা ছিলেন - এক লাইনের রায়ের পর কোর্ট রুমে হাততালি দিয়ে ওঠেন সকলে। - এই সময় কিছুটা আবেগতাড়িত দেখায় কানিমোঝিকে। খুশিতে ভরে ওঠে এ রাজার মুখও। - এরপর হাসিমুখে সকলে কোর্ট রুমের বাইরে বেরিয়ে আসেন

ততক্ষণে বাইরেও রায়ের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এ রাজাকে কাঁধে তুলে নেন তাঁর সমর্থকরা। আদালত চত্বরেই শুরু হয়ে যায় উৎসব। চলে মিষ্টি বিতরন। রায় নিয়ে রাজা কিছু বলতে চাননি। তবে কানিমোঝি জানিয়েছেন, দুর্নীতির অভিযোগে ডিএমকে পরিবারের ওপর সমস্ত দোষারোপের জবাব এই রায়।

টুজি মামলায় দুহাজার বারো সালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, স্পেকট্রাম বন্টন নিয়ম মেনে হয়নি। কিন্তু সিবিআই বিশেষ আদালতে তা ধোপে টিকল না কেন? সিবিআই বিশেষ আদালত জানিয়েছে,

- মামলায় মূল অভিযোগ ছিল, আগে এলে আগে পাওয়ার নিয়মকে প্রভাবিত করা হয়েছে এবং কলাইনার টিভিকে ২০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এমন কোনও রেকর্ড বা তথ্য পেশ করা হয়নি যার ভিত্তিতে বলা যায় অভিযুক্তরা অপরাধী। - অভিযোগের সপক্ষে যে তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়েছে সেগুলির মধ্যে কোনও সাদৃশ্য নেই - অভিযোগ প্রমাণ করতে মৌখিক সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে যা আদালতগ্রাহ্য নয় - এন্ট্রি ফি সংশোধন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে রেকর্ড করা তথ্যও দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো একেবারেই ঠিক নয়।

মূলত এমনই বেশ কিছু বিষয়কে নজরে এনে সিবিআই-এর সমস্ত দাবি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারক ও পি সাইনি এবং অভিযুক্তদের মুক্তি দিয়েছেন। তবে এই মামলা উচ্চ আদালতে গেলে অভিযুক্তরা যাতে হাজির হন তা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যেককে পাঁচ লক্ষ টাকা করে বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

First published: December 21, 2017, 3:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर