Home /News /national /

Adhir Chowdhury: ভাষণে নেই ইন্দিরা গান্ধির উল্লেখ, স্পিকারকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী

Adhir Chowdhury: ভাষণে নেই ইন্দিরা গান্ধির উল্লেখ, স্পিকারকে চিঠি দিলেন অধীর চৌধুরী

বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিবৃতিতে কোথাও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামোল্লেখ না করায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখলেন অধীর চৌধুরী।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন কংগ্রেসের লোকসভার নেতা অধীরঞ্জন চৌধুরী। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্ম বা সেই সংক্রান্ত কোনও বিবৃতি বা ভাষণে যাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির নামোল্লেখ করা হয়, লোকসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া চিঠিতে তেমনটাই অনুরোধ জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিবৃতিতে কোথাও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামোল্লেখ না করায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের ৫০ বছর পূর্তি। সেই উপলক্ষ্যে সাধারণ মানুষ, সংসদ, বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলাদেশে জন্মে ভারতীয় সেনার অবদানের কথা স্মরণ করে বিবৃতি দেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। যদিও কোথাও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নাম তুলে ধরেননি তিনি। আর এখানেই আপত্তি কংগ্রেসের। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বেই ভারতীয় সেনা "মুক্তি বাহিনী"র সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে পাকিস্তানী সেনাকে পর্যদুস্ত করেছিল। তারফলেই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে।

চিঠিতে অধীর আরও লিখেছেন, বিরোধী নেতা হওয়া সত্ত্বেও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ের জন্য ইন্দিরা গান্ধীকে মা দুর্গা বলে সম্মোধন করেছিলেন বিজেপির অটল বিহারী বাজপেয়ি।আগেই নিন্দা করেছেন রাহুল গান্ধিও। ১৯৭১ সালে ঢাকার রমনা রেসকোর্সে ভারতীয় সেনার সামনে আত্মসমর্পণ করেছিল পাকিস্তানি সেনা।বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তীতে উপেক্ষিত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি। এমনই অভিযোগ করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি। দেরাদুনে এক জনসভায় কংগ্রেস নেতা বলেছেন, ‘দিল্লিতে বাংলাদেশ যুদ্ধ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে ইন্দিরা গান্ধির কোনও উল্লেখ ছিল না। যে মহিলা এই দেশের জন্য ৩২টি বুলেট খেয়েছিলেন, তাঁর নাম আমন্ত্রণপত্রে ছিল না কারণ এই সরকার সত্যকে ভয় পায়।’প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের সময় ইন্দরা গান্ধি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ইন্দিরা গান্ধির অবদান অনস্বীকার্য। এই কারণে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল ইন্দিরা গান্ধির।

RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Adhir Chowdhury

পরবর্তী খবর