Abhishek Banerjee : আজ ত্রিপুরাতেই থাকছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! 'শেষ দেখতে' এককাট্টা সেনাপতি এখনও থানায়...

আজ থাকছেন সেনাপতি

Abhishek Banerjee : যাবতীয় নির্ঘণ্ট ওলোট-পালোট করেই আজ ত্রিপুরায় পৌঁছে যান অভিষেক(Abhishek Banerjee )। তাঁর আগেই এদিন পৌঁছন কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, দোলা সেনরা।

  • Share this:

#আগরতলা : ত্রিপুরায় আক্রান্ত তৃণমূল নেতারা (TMC)। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে এক সপ্তাহের মধ্যে ফের উত্তর-পূর্বের এই ছোট্ট রাজ্যটিতে পা রেখেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee )। পা রেখেছেন বললে ভুল বলা হবে। একরকম ছুটেই গিয়েছে ত্রাণকর্তা হিসেবে। কারণ স্পষ্ট। একের পর এক আঘাত তাঁর দলীয় সতীর্থদের ওপরে। তাই যাবতীয় নির্ঘণ্ট ওলোট-পালোট করেই আজ ত্রিপুরায় পৌঁছে যান অভিষেক(Abhishek Banerjee )। তাঁর আগেই এদিন পৌঁছন কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, দোলা সেনরা।

এদিকে শনিবার হামলার পর ত্রিপুরায় Tripura Politics) ঘটনার ঘনঘটা অব্যাহত। রবিবার সকালে ত্রিপুরায় থাকা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য, যুব নেতা সুদীপ রাহা, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন নেত্রী জয়া দত্ত-সহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মহামারী আইনে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এদিন ত্রিপুরায় পা রেখেই অভিষেক(Abhishek Banerjee) বলেন, ‘‘বিজেপি ত্রিপুরাকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত করেছে। বিপ্লব দেব ভাবছেন, তাঁর কাছ থেকে ভিসা নিয়ে তবেই রাজ্যে পা রাখতে পারবেন বিরোধীরা। যাঁরা বড় বড় ভাষণ দেন, গণতন্ত্রের কথা বলেন, তাঁদের হাতে ত্রিপুরার গণতন্ত্রের কী অবস্থা, রাজ্যবাসী তা দেখছেন। যাঁরা এঁদের চ্যালেঞ্জ করছে, তাঁদের ধরে ধরে জেলে ঢোকানো হচ্ছে।’’

অন্য অভিষেক অন্য অভিষেক

এদিন ত্রিপুরায় পৌঁছেই অভিষেক যান খোয়াই থানায়। সেখানে তিনি পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। ওঠে গো-ব্যাক স্লোগানও। পাল্টা স্লোগান তোলে তৃণমূলও। থানাতে ঢুকেই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। খোয়াই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব সেনগুপ্ত, এসডিপিও রাজীব সূত্রধরও ওসি মনোরঞ্জন দেববর্মাকে রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে অভিষেক বলেন, 'তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে আপনি অভিযোগ দেখান। আমি এখানে বসে থাকব৷ আপনি হয় এদের থানা থেকে জামিন দিন, নয়তো জানান, অভিযোগ কী।'

এরইমধ্যে ফের তৃণমূলের ওপর আবারও হামলার ঘটনা ঘটে যায় ত্রিপুরায়। আক্রান্ত হন তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিক। ভেঙে দেওয়া হয় তার গাড়ি। আক্রান্ত হয়েছেন সঞ্জয় বসু ও আইনজীবী সমীর চক্রবর্তীও। দুষ্কৃতীরা তাঁদের গাড়ি ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ। আদালতে যাওয়ার পথেই তাঁর উপর হামলা হয় বলে জানা গিয়েছে। সদ্য তৃণমূল আসা নেতা সুবল ভৌমিকের অভিযোগ, হামলা চালিয়েছে তারা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

এদিকে, ধৃত ১৪ যুবনেতাকে আদালতে পেশ করা নিয়ে দুপুরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোর্ট চত্বর। তৃণমূলের পক্ষে কলকাতা থেকে মোট আটজন আইনজীবী এবং ত্রিপুরার ৪ জন আইনজীবী আদালতে লড়াই করছেন। কোর্ট চত্বরে উপস্থিত রয়েছেন দুই দলের কর্মীরাই। পুলিশের কাজে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল, এমনটাই দাবি বিজেপি কর্মীদের। অন্যদিকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে সরব তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাও। সবমিলিয়ে উত্তাপ ক্রমশ চড়ছে ত্রিপুরায়। 'সবমিলিয়ে যা পরিস্থিতি তাতে আজ ত্রিপুরাতেই থাকছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: