দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

শাহের টার্গেট ২০০, বাংলা বিজয় নিশ্চিত করতে বিজেপির হাতিয়ার ‘ফর্মুলা ২৩’

শাহের টার্গেট ২০০, বাংলা বিজয় নিশ্চিত করতে বিজেপির হাতিয়ার ‘ফর্মুলা ২৩’

একুশের লক্ষ্যে ট্রাম্প কার্ড - ফর্মুলা ২৩ ৷ কিন্তু কী এই ফর্মুলা ২৩ যার জোরে মোদি-শাহের অশ্বমেধের রথ রুখবে না বাংলাতেও!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: পটনা বিজয় সম্পূর্ণ হতেই এবার নজর বঙ্গে ৷ কোমর বেঁধে ময়দানে বিজেপি। কোমর বেঁধে ময়দানে বিজেপি। গেরুয়া রথের দৌড় অব্যাহত রাখতে সর্বশক্তি নিয়ে বাংলা জিততে ঝাঁপাচ্ছে মোদির দল ৷ ইতিমধ্যেই বাংলার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ ৷ লক্ষ্যে পৌঁছতে গুরু মন্ত্রও দিয়েছেন বিজেপির চাণক্য ৷ তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে জোরদার করতে চাইছেন বিজেপি নেতারা। একুশের লক্ষ্যে তাঁদের ট্রাম্প কার্ড - ফর্মুলা ২৩ ৷ কিন্তু কী এই ফর্মুলা ২৩ যার জোরে মোদি-শাহের অশ্বমেধের রথ রুখবে না বাংলাতেও! তা নিয়ে জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে ৷

বিজেপির ভরসা- ফরমুলা ২৩ । বুথস্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করায় জোর। মন্ত্র - মেরা বুথ, সবসে মজবুত। ৬ নভেম্বর, কলকাতায় এসে সাংগঠনিক বৈঠক করেন অমিত শাহ। সেদিনই বার্তা দেন, ২৩ দফা কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঝাঁপাতে হবে। তা হলেই পৌঁছনো যাবে ২০০ আসন জয়ের লক্ষ্যে। তবে কী এই ২৩ দফা কর্মসূচি তার গোপন ফর্মুলা ফাঁস করতে নারাজ গেরুয়া শিবির ৷ তবে বিজেপির কর্মকাণ্ডের বহর দেখে ফর্মুলা ২৩ নিয়ে খানিকটা আন্দাজ করেই ফেলেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ৷ তাদের মতে তৃণমূল স্তরে সংগঠন মজবুত ফর্মুলা ২৩-এর মূল ভিত্তি ৷

বঙ্গ বিজেপির রাজনীতির রাশ এখন দিল্লির হাতে ৷ সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে হাজির বিজেপির সেরা পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা ৷ প্রচারকাজেও কোনওরকম ঢিলেমি দিতে চায় না বিজেপি ৷ তাই দলীয় সূত্রে খবর, ২১-এর নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলারই বাসিন্দা হতে চলেছেন অমিত শাহ ও সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ৷ বিজেপির ঝুলিতে থাকা চমকের মধ্যে এটি একটি ৷

ফর্মুলা ২৩ অনুযায়ী সংগঠন শুধুমাত্র কোনও স্থানীয় নেতৃত্বের হাতে না ছেড়ে ময়দানে বিজেপির পঞ্চপান্ডব ৷ লক্ষ্য ২০২১। নীলবাড়ির লড়াই। বঙ্গে ছুটতে শুরু করলেন বিজেপির পঞ্চপাণ্ডব। জেলায় জেলায় সাংগঠনিক বৈঠক। দিল্লির নেতাদের গলায় ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়ার হুঙ্কার ৷ সেই সঙ্গে বাংলা বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটের সমস্ত দায়িত্ব নিজেদের হাতেই রাখতে চাইছেন বিজেপি শীর্ষ নেতা অমিত শাহ ও সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ৷ শোনা যাচ্ছে এবার থেকে মাসে ২ দিন অমিত শাহ ও মাসে ৩ দিন জেপি নাড্ডা এসে এরাজ্যেই থাকবেন ৷ খতিয়ে দেখবেন সংগঠন, নেবেন কাজের খতিয়ান ৷

২১-এর লক্ষ্যে বৃহত্তর পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই ছকে ফেলেছে দিল্লি ৷ ফর্মুলা ২৩ ছাড়াও বাংলার প্রতি ইঞ্চিকেই যে এখন সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চাইছে গেরুয়া শিবির তা আরও একবার প্রমাণিত ৷ সমর্থন আদায়ে জেলার সংগঠনেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ৷ এখন রাজ্যকে পাঁচটি জোনে ভাগ করে পাঁচ শক্তিশালী সেনাপতির হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছে শীর্ষ নেতারা ৷ কলকাতা জোনের দায়িত্বে দুষ্যন্ত গৌতম ৷ মেদিনীপুর জোনের দায়িত্বে দেওয়া হল সুনীল দেওধরকে ৷ বিজেপির রাঢ়বঙ্গের দায়িত্বে বিনোদ সোনকর ৷ নবদ্বীপ জোনের দায়িত্বে থাকবেন বিনোদ তাওড়ে এবং উত্তরবঙ্গে বিজেপির দায়িত্বে হরিশ দ্বিবেদী ৷ জেলায় জেলায় বুথ স্তরে দলের সমস্ত কাজের দায়িত্ব সামলাবে এরাই ৷ এছাড়া আইটি সেলের কর্মকাণ্ড দেখবেন অমিত মালব্য ৷

ফর্মুলা ২৩-এর মন্ত্র অনুযায়ী ‘মেরা বুথ, সবসে মজবুত’-এর পালন করতে সাংগঠনিক শক্তি অনুযায়ী বিজেপির বুথ স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা হচ্ছে ৷ বুথগুলিকে ভাগ করা হচ্ছে চার ভাগে - এ বি সি ডি ৷ এ বুথে সাংগঠনিক শক্তি সবচেয়ে বেশি ৷ ডি বুথে সাংগঠনিক শক্তি সবচেয়ে কম ৷ দলের ৫ সাংগঠনিক জোনের ‘আসল’ খবর দিল্লিকে জানাবেন ৷

পঞ্চপাণ্ডবের রিপোর্ট পেয়েই রণকৌশল চূড়ান্ত করবেন অমিত শাহ ৷ তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রার্থী বাছাই ৷ দলীয় সূত্রে খবর, এলাকার মানুষের চাহিদাকে মাথায় রেখে এলাকাভিত্তিক উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ে মন দেবে পদ্মবাহিনী ৷ ১৮-২০ নভেম্বর জোন ভিত্তিক বৈঠক করবে বিজেপি ৷ এই বৈঠকের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা আপাতত তৈরি করে রাখবেন শাহ-নাড্ডা ৷

বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট। কোমর বেঁধে ময়দানে বিজেপি। তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে জোরদার করতে চাইছেন বিজেপি নেতারা। ফর্মুলা ২৩-এ আর কী কী তাস লুকিয়ে তা ক্রমশ প্রকাশ্য ৷

Published by: Elina Datta
First published: November 19, 2020, 4:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर