corona virus btn
corona virus btn
Loading

'৭ দিন মেয়েটাকে কিচ্ছু খেতে দিতে পারিনি, খিদের জ্বালায় ছটফট করে মরে গেল', অসহায় মায়ের হাহাকার

'৭ দিন মেয়েটাকে কিচ্ছু খেতে দিতে পারিনি, খিদের জ্বালায় ছটফট করে মরে গেল', অসহায় মায়ের হাহাকার
প্রতীকী ছবি

উত্তরপ্রদেশের আগ্রার বারোলি'র আহির ব্লক পরিবার নিয়ে বাস শিলা দেবীর। শুক্রবার শিলার ৫ বছরের মেয়ে সোনিয়া মারা যায় অনাহারে।

  • Share this:

#আগ্রা: "নোটবন্দির সময় অনাহারে মরে গিয়েছিল ছেলেটা। লকডাউনে রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেক খুঁজে কাজ জোগাড় হয়নি। মেয়েটাকে কিচ্ছুই খেতে দিতে পারলাম না। মেয়েটাও মরে গেল।" শূন্য বুকে কাঁদতে কাঁদতে এক নাগাড়ে বলছিলেন অসহায় মা।

উত্তরপ্রদেশের আগ্রার বারোলি'র আহির ব্লক পরিবার নিয়ে বাস শিলা দেবীর। শুক্রবার শিলার ৫ বছরের মেয়ে সোনিয়া মারা যায় অনাহারে। ঘটনার কথা সংবাদ মাধ্যমের কাছে পৌঁছতেই নড়েচড়ে বসে যোগীরাজ্যের প্রশাসন। ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক প্রভু এন সিংহ জানিয়েছেন, শিশুটির মৃত্যু কীভাবে হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, পরিবারটি কাউকে না জানিয়ে শিশুটিকে কবরস্থ করেছে। দেহের ময়না তদন্ত করা হয়নি। কীভাবে শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে ময়না তদন্ত করা উচিত ছিল।

লকডাউনের জেরে কাজ গিয়েছে। বহু কষ্টেও কাজ জোগাড় হয়নি। বন্ধ রোজগার। ফলে বেশীরভাগ দিনই অনাহারে বা অর্ধাহারে দিন কাটে। শেষ একমাসে অবস্থা আরও সঙ্গীন হয়। এ দিকে মেয়ের শরীর দুর্বল ছিল। অপুষ্টিতে ভুগছিল সে। শিলা জানিয়েছেন, 'তিনদিন আগে মেয়ের জ্বর আসে। ক্রমেই নেতিয়ে পড়ছিল সে। অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছি। অনেকের কাছে হাত পেতেছি সামান্য সাহায্যের জন্য। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। টাকার জোগাড় হয়নি। সাতদিন ধরে মেয়েটাকে খেতে দিতে পারিনি। তারপরেই শুক্রবার সে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যায়।'

শিলার প্রতিবেশী হেমন্ত গৌতম বলেন, "ওঁরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছে। কিন্তু কোনও সাহায্য পায়নি। শেষে মেয়ের মৃত্যুর পর শনিবার স্থানীয় প্রশাসন পরিবারটিকে সাহায্যের আশ্বাস দেয়।" তিনি আরও বলেন, শিলার স্বামী টিবি রোগী। বেশ কয়েক বছর ধরে শয্যাশায়ী।

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 25, 2020, 10:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर