দেশে মৎসকন্যার মতো বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নিল এই শিশু!

Representational Image

দেহের উপরের অংশ একেবারে মানুষেরই মতো, কিন্তু নীচের দিকটা ঠিক যেন গল্পের বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা মৎসকন্যা ৷ ‘লিটল মার্মিড’-এর সেই রঙিন বইটার পাতায় এমনই এক আজব সংকর প্রাণিকে দেখেই বড় হয়েছি আমরা ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দেহের উপরের অংশ একেবারে মানুষেরই মতো, কিন্তু নীচের দিকটা ঠিক যেন গল্পের বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা মৎসকন্যা ৷ ‘লিটল মার্মিড’-এর সেই রঙিন বইটার পাতায় এমনই এক আজব সংকর প্রাণিকে দেখেই বড় হয়েছি আমরা ৷ পা দু’টো তাঁর ঠিক পায়ের মতো নয় ৷ সে জায়গায় রয়েছে গাঢ় সবুজ একটি লেজ ৷ এমনই ছিল সেই লিটল মার্মিড ৷ এক্ষেত্রে সবটা না মিললেও কিছুটা সাদৃশ্য রয়েছে মৎসকন্যার সঙ্গে ৷ এই শিশুর পা দু’টিও ছিল জোড়া ৷ গতকাল মহারাষ্ট্রের আম্বাযোগাই সরকারি হাসপাতালে বিরল সিরেনোমেলিয়া সিনড্রোম নিয়ে জন্ম হয় শিশুটির ৷ কিন্তু জন্মের কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যায় সে ৷ আম্বাযোগাইয়ের স্বামী রামানন্দ টের্থ রুরাল গভঃ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সিরেনোমেলিয়া একটি বিরল কনজিনিটাল রোগ ৷ এই সিনড্রোমে দেহের নীচের অংশ জুড়ে থাকে ৷ ওই শিশুটি এমনই বিরল রোগ নিয়ে জন্মেছিল ৷ কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি ৷ তবে সুস্থ আছেন শিশুর মা ৷

    আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত নিয়ন্ত্রণরেখা, পাক হামলা থেকে বাদ গেল না ৮ মাসের শিশুও

    ২৫ বছরের দীক্ষা কাম্বলে সোমবার সকাল ৭টা নাগাদ প্রসববেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সন্তানের জন্ম দেন ৷ কিন্তু প্রথম থেকে সন্তানের ওজন ছিল খুবই কম ৷ মাত্র ১ কেজি ৮০০ গ্রামের শিশুটির পা দু’টি ছিল জোড়া ৷ অনেকটা মাছেদের লেজের মতো ৷ হাত দু’টিও অনেকটা মাছের পাখনার মতো ছিল ৷ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নীচের অংশ সম্পূর্ণভাবে জোড়া হওয়ায় শিশুটির লিঙ্গও শনাক্ত করা যায়নি ৷

    First published: