• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • মদ্যপ ছেলে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে!‌ বৃদ্ধ দম্পতির লড়াইয়ের গল্প ভাইরাল

মদ্যপ ছেলে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছে!‌ বৃদ্ধ দম্পতির লড়াইয়ের গল্প ভাইরাল

ছেলে মা বাবাকে দেখে না। একদিন মদ খেয়ে ছেলে প্রবল মারধর করে বাবাকে। যার ফলে চিরকালের জন্য বাবার একটা হাত পঙ্গু হয়ে যায়।

ছেলে মা বাবাকে দেখে না। একদিন মদ খেয়ে ছেলে প্রবল মারধর করে বাবাকে। যার ফলে চিরকালের জন্য বাবার একটা হাত পঙ্গু হয়ে যায়।

ছেলে মা বাবাকে দেখে না। একদিন মদ খেয়ে ছেলে প্রবল মারধর করে বাবাকে। যার ফলে চিরকালের জন্য বাবার একটা হাত পঙ্গু হয়ে যায়।

  • Share this:

    বাবা কা ধাবার গল্প সকলেই শুনেছেন। সামান্য সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট থেকে কীভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল বৃদ্ধ ধাবা পরিচালকের ইতিহাস, সকলেই পড়েছেন। কিন্তু তারপর থেকে এমন অনেক মানুষের কথা বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে আসছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে এই লকডাউনের মধ্যে, কীভাবে কষ্ট করে দিন কেটেছে অনেকের।

    আসলে, এই দীর্ঘ লকডাউন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। ফলে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জীবন যাপন করা বেশ কিছুটা সমস্যার হয়ে পড়েছে। নিয়মিত অর্থনৈতিক কাজকর্ম না চলায়, অফিস–কাছারি না খোলায় অনেক দোকানের নিয়মিত কেনাকাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন কর্মীদের আয় বন্ধ হয়েছে, তেমনই ছোট ব্যবসারও ক্ষতি হয়েছে। ছোট ছোট দোকান বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে। যেহেতু স্বল্প পুঁজির এই সব ব্যবসা বেশিদিন অর্থনৈতিক লেনদেন না করতে পারলে টিকে থাকতে পারে না, তাই অনেকেই ব্যবসা গুটিয়েছেন। কিন্তু তার মধ্যেও কেউ কেউ লড়ে চলেছেন বাঁচার লড়াই। তেমনই দক্ষিণ–পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা সেক্টরের এই চা–বিক্রেতা বৃদ্ধ দম্পতি। যাঁর কথা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ফুডি বিশাল নামে এক নেটিজেন। তিনি লিখেছেন, ৭০ বছরের এই বৃদ্ধ আর তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে চায়ের দোকান চালান।

    ছেলে মা বাবাকে দেখে না। একদিন মদ খেয়ে ছেলে প্রবল মারধর করে বাবাকে। যার ফলে চিরকালের জন্য বাবার একটা হাত পঙ্গু হয়ে যায়। ভেঙে যায় মেরুদণ্ড। শুধু নৃশংস অত্যাচার করেই ছেলে শান্ত হয়নি। তারপর বাড়ি থেকে বের করে দেয় মা বাবাকে। তারপর দ্বারকা সেক্টর ১৩–এ এসে বাঁচার তাড়নায় চায়ের দোকান খোলেন তাঁরা। কিন্তু শেষ কয়েকমাস ধরে বেচাকেনা তেমন নেই। তার ফলে অনেকের মতো তাঁদের আয় নেই তেমন। বৃদ্ধ বয়সে তাঁর সাহায্যের অপেক্ষায় দিন গুণছেন এই দম্পতি।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: