• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • উত্তরপ্রদেশের হাসপাতালে অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলছে ৬ বছরের নাতি! ভাইরাল ভিডিও দেখে ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ

উত্তরপ্রদেশের হাসপাতালে অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলছে ৬ বছরের নাতি! ভাইরাল ভিডিও দেখে ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ

ওয়ার্ড বয় সাহায্য না করায় ৬ বছরের খুদে অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যায় মায়ের সঙ্গে।

ওয়ার্ড বয় সাহায্য না করায় ৬ বছরের খুদে অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যায় মায়ের সঙ্গে।

ওয়ার্ড বয় সাহায্য না করায় ৬ বছরের খুদে অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যায় মায়ের সঙ্গে।

  • Share this:

    #দেওরিয়া: বাড়িতে পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার গৌরা গ্রামের বাসিন্দা চেদি যাদব। দু-দিন আগে হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাঁকে। বাবাকে দেখতে রবিবার হাসপাতালে যান মেয়ে। বাড়িতে কেউ না থাকায় ছ'বছরের সন্তানকে সঙ্গে করেই নিয়ে আসতে হয়েছিল। সেই খুদেই অসুস্থ দাদুর স্ট্রেচার ঠেলল হাসপাতালের এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে। অভিযোগ, হাসপাতালে পৌঁছলেও বৃদ্ধ বাবাকে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য কারও সাহায্য পাননি ওই মহিলা। শেষ পর্যন্ত মায়ের সঙ্গে স্ট্রেচার ঠেলে দাদুকে ভেতরে নিয়ে যায় ছ-বছরের নাতি।

    উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ার লা হাসপাতালে যখন ঘটনাটি ঘটে তখন কেউ একজন সেটি ক্যামেরাবন্দি করেন। তারপর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। যোগীরাজ্যে ঘটে যাওয়া অমানবিক, মর্মান্তিক এই ঘটনার ছবি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। মাত্র আট সেকেন্ডের ভিডিওটি দেখে এখন ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। যদিও ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে কর্তব্যরত অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয়কে।

    এ দিকে, ভাইরাল ভিডিওটি পৌঁছয় উত্তরপ্রদেশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে।  তারপরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দেওরিয়ার জেলাশাসক অমিত কিশোর সোমবার হাসপাতালে হাজির হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চেদি যাদবের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। এর পরেই সদর এসডিএম ও হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ মেডিক্যাল অফিসারের সমন্বয়ে একটি টিম তৈরি করে, তদন্তের নির্দেশ দেন। যত দ্রুত সম্ভব এই টিমকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

     বৃদ্ধের মেয়ে বিন্দুর অভিযোগ, বাবাকে এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য ৩০ টাকা করে দাবি করেছিলেন ওই ওয়ার্ড বয়। কিন্তু তা দেওয়ার সামর্থ্য তাঁর নেই। ফলে তিনি নিজেই হাসপাতালের যেখানে প্রয়োজন হয়েছে, বাবাকে সেখানে নিয়ে গিয়েছেন। আর তখনই মায়ের কষ্ট হচ্ছে বুঝতে পেরে ট্রলির অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ঠেলতে শুরু করে দুধের শিশুটি। ঘটনার তদন্ত চলছে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: