৩০০টি পাকিস্তানি টুইটার অ্যাকাউন্ট উসকানি দিয়ে ট্রাক্টর মিছিল ব্যাহত করতে চাইছে! দাবি পুলিশের

৩০০টি পাকিস্তানি টুইটার অ্যাকাউন্ট উসকানি দিয়ে ট্রাক্টর মিছিল ব্যাহত করতে চাইছে! দাবি পুলিশের
এই অ্যাকাউন্টগুলি নাকি অনবরত কৃষকদের আন্দোলন ও ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে অনবরত টুইট করে চলেছে। জানাচ্ছে পুলিশ

এই অ্যাকাউন্টগুলি নাকি অনবরত কৃষকদের আন্দোলন ও ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে অনবরত টুইট করে চলেছে। জানাচ্ছে পুলিশ

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে ট্রাক্টর মিছিল করতে চলেছেন আন্দোলনরত কৃষকরা। তার আগেই পাকিস্তানের ৩০০টি টুইটার অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, এই টুইটার অ্যাকাউন্টগুলি থেকে অনবরত কৃষকদের উসকানি দেওয়া হয়েছে। এমনকি, কৃষকদের উসকানি দিয়ে ট্রাক্টর মিছিল ব্যাহত করার চেষ্টা করছে এই ৩০০ টুইটার অ্যাকাউন্ট। দাবি করছেন পুলিশ।

    পুলিশের স্পেশাল কমিশনার দীপেন্দ্র পাঠক জানিয়েছেন প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের পরে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলছেন, ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে ৩০০-রও বেশি টুইটার হ্যান্ডেল পাকিস্তানে তৈরি হয়েছে কৃষকদের উসকানি দিয়ে ট্রাক্টর মিছিলে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য। বিভিন্ন এজেন্সি থেকে এই ধরনের কার্যকলাপের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। আমাদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারাড হয়ে গেলেই ট্রাক্টর মিছিলে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

    দীপেন্দ্র পাঠক জানান, যে পাকিস্তানের কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ট্রাক্টর মিছিলে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তিনি বলছেন, আশঙ্কা আছে যে কিছু পাক জঙ্গি সংগঠন সমস্যা তৈরি করতে পারে। পাকিস্তানের এই ৩০০টি টুইটার অ্যাকাউন্ট অনবরত কৃষকদের আন্দোলন ও ট্রাক্টর মিছিল নিয়ে টুইট করছে হ্যাশট্যাগ সমেত।


    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে গত নভেম্বর থেকে আন্দোলন করছেন কৃষকরা। এই নিয়ে দফায় দফায় কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কৃষকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও সমাধান মেলেনি। বিভিন্ন রকমের প্রস্তাব দিলেও নিজেদের দাবিতে অনড় থেকেছেন কৃষকরা।

    গত বুধবার কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষক প্রতিনিধিদের দশম দফার বৈঠক হয়েছিল। সেখানে কেন্দ্র কৃষকদের শর্ত দিয়েছিল যে, আগামী দেড় বছরের জন্য বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন স্থগিত করা হতে পারে। কিন্তু বদলে কৃষকদের অবিলম্বে আন্দোলন প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু এর পরদিনই কৃষকরা কেন্দ্রের সঙ্গে ১১ তম বৈঠক করে জানিয়ে দেন যে, কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতেই তাঁরা অনড় থাকবেন। এই আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    লেটেস্ট খবর