দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার মধ্যেই ঘাড়ধাক্কা! দেশে ঘর হারিয়েছেন অন্তত ২০ হাজার মানুষ: রিপোর্ট

করোনার মধ্যেই ঘাড়ধাক্কা! দেশে ঘর হারিয়েছেন অন্তত ২০ হাজার মানুষ: রিপোর্ট
প্রতীকী চিত্র। এপি

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার যে স্বীকৃতি, ২০২২ সালের মধ্যে সবার মাথায় উপর পাকা বাড়ির যে অঙ্গীকার, তার থেকে প্রতিদিন দেশবাসীকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে এই উচ্ছেদ, বলছে রিপোর্ট।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কঠিন সময়। বহু মানুষের হাতে কাজ নেই। দাঁতে দাঁত চেপে লড়তে হচ্ছে করোনার সঙ্গে। এই ভয়াবহ দুঃসময়েও দেশের নানা প্রান্তে গত ১৬ মার্চ থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অন্তত ২০ হাজার মানুষকে ঘরছাড়া হতে হয়েছে। দিল্লির ইস্ট লক্ষ্মীনগরের কথাই ধরা যাক, সেখানে রাতারাতি ঘর হারিয়েছে ১৫০টি পরিবার। রাতারাতি ছাদ হারানোর এমন ঘটনা ছড়িয়ে রয়েছে রাজ্যে রাজ্যে।

হাউজিং অ্যান্ড ল্যান্ড রাইটস নেটওয়ার্কের রিপোর্ট বলছে, আসলে লকডাউনের ফলে যে কার্ফু পরিস্থিতি চলেছে, তার সুবিধে নিয়েছে উচ্ছেদকারীরা। উচ্ছেদ হওয়া মানুষ রাতারাতি আইনি সাহায্য পাবে না জেনেই সুযোগের 'সদ্ব্যবহার' করেছে উচ্ছেদকারীরা।

হাউজিং অ্যান্ড ল্যান্ড রাইটস নেটওয়ার্কের ওই রিপোর্টে আরও বলা হচ্ছে, শহরে-গ্রামাঞ্চলে দরিদ্র মানুষ এই লকডাউনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। খাদ্য, বস্ত্র, আয়, জীবনের প্রতিটি সূচকই ধাক্কা খেয়েছে। আর তাঁদের দুর্দশা কয়েকগুণ বেড়ে দিয়েছে উচ্ছেদ।

রিপোর্টটিতে সরেজমিনে দেখানো হয়েছে, ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার মানুষ কী ভাবে ঘর হারিয়েছে গত তিন বছরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে। একই সঙ্গে সংস্থা জানাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে ঘরছাড়া হচ্ছেন ৫১৯ জন মানুষ। অন্তত ১ কোটি নয় লক্ষ মানুষ যখন তখন ঘর হারানোর আশঙ্কায় ভুগছে।

শুধু গত বছরেই কেন্দ্র-রাজ্য প্রশাসন ২২ হাজারের বেশি ঘর ভেঙেছে। খোলা আকাশের নীচে নেমে এসেছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬০০ জন। রিপোর্টটিতে এর কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে, শিল্পের অবনতিকে।

ব্যখ্যায় সংস্থাটি বলছে, ২০১৮-১৯ সালে বিনিয়োগে ঘাটতি ছিল না। কিন্তু বহু শিল্পের কাজই থমকে গিয়েছে। শিল্পের গতি রুদ্ধ হওয়ায় রিয়েল এস্টেট, জমি অধিগ্রহণের কাজও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়নি। হিসেব দেখিয়ে দিচ্ছে,  ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে দেশে প্রতিদিন ১০৮টি করে ঘর ভাঙা হয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় ২২ জন মানুষ বা প্রতিদিন ৫১৯ জন মানুষ উচ্ছেদ হয়ে চলেছেন।

২০১৯ সাল জুড়ে বস্তি উচ্ছেদ চলেছে সৌন্দর্যায়নের নামে। কিন্তু বহু মানুষই ছাদ পাননি এখনও।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার যে স্বীকৃতি, ২০২২ সালের মধ্যে সবার মাথায় উপর পাকা বাড়ির যে অঙ্গীকার, তার থেকে প্রতিদিন দেশবাসীকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে এই উচ্ছেদ, বলছে রিপোর্ট।

Published by: Arka Deb
First published: August 19, 2020, 8:44 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर