• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • 'আচ্ছা চলতা হু , দুয়া ও মে ইয়াদ রাখনা', হাসপাতালের বিছানায় তরুণের গাওয়া শেষ গানের ভিডিও ভাইরাল

'আচ্ছা চলতা হু , দুয়া ও মে ইয়াদ রাখনা', হাসপাতালের বিছানায় তরুণের গাওয়া শেষ গানের ভিডিও ভাইরাল

অসমের তিনসুকিয়ার কাকোপাথারের বাসিন্দা ১৭ বছরের ঋষভ দত্ত ৯ জুলাই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

অসমের তিনসুকিয়ার কাকোপাথারের বাসিন্দা ১৭ বছরের ঋষভ দত্ত ৯ জুলাই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

অসমের তিনসুকিয়ার কাকোপাথারের বাসিন্দা ১৭ বছরের ঋষভ দত্ত ৯ জুলাই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: ঋষভ আর নেই। কিন্তু ওর গাওয়া শেষ গান এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। হয়ত এটাই ও চেয়েছিল। তাই হাসপাতালের বিছানায় বসে হাসিমুখে সব যন্ত্রণা গিলে নিয়ে গিটার হাতে শেষবার গেয়ে উঠেছিল 'আচ্ছা চলতা হু , দুয়া ও মে ইয়াদ রাখনা'।

    অসমের তিনসুকিয়ার কাকোপাথারের বাসিন্দা ১৭ বছরের ঋষভ দত্ত ৯ জুলাই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ২ বছরের আগে রক্তের জটিল রোগে আক্রান্ত হয় সে। রক্তের কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।   ফলে ক্রমেই শরীর ভাঙতে শুরু করে। প্রয়োজন ছিল বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট। সেই প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু সব চেষ্টা বিফলে গেল।

    অদম্য মনের জোর ছিল ঋষভের। কষ্ট চেপে রাখতে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই গান গাইত সে। শ্রোতা ছিলেন হাসপাতালের সিস্টার, নার্স এমনকি চিকিৎসকরাও।

    সর্বভারতীয় ইংরাজি দৈনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথমে বেঙ্গালুরুর খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ এবং পড়ে বেঙ্গালুরুরই একটি বেসরকারি  হাসপাতালে চিকিৎসা চলেছে তাঁর। সেই সময়ই গান গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে শুরু করে  ঋষভ। আর তাতেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা। তরুণের অসুস্থতার বিষয় প্রকাশ্যে আসায় তাঁর ফলোয়াররা অর্থ সংগ্রহ শুরু করেন। সেই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয় ঋষভের চিকিৎসার জন্য। এমনকি অসম প্রশাসন ২০১৯ সালের অক্টোবরে ৫০ হাজার টাকা তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু শরীর চিকিৎসায় সাড়া দেয়নি।

    ঋষভের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে তার ফলোয়াররা অনেকেই তার গাওয়া গান সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে। সেই গান শুনে অনেকেই তাঁদের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: