• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • বেসরকারি ট্রেন চালাতে আগ্রহ প্রকাশ করল ১৫টি সংস্থা   

বেসরকারি ট্রেন চালাতে আগ্রহ প্রকাশ করল ১৫টি সংস্থা   

এগুলির পাশাপাশি নিজেকেও কিছু সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। যাত্রাকালে সঙ্গে রাখতে হবে থ্রি লেয়ার মাস্ক। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিজইনফেক্টিং ওয়াইপ, সাবান-সহ প্রয়োজনীয় সমস্ত সরঞ্জাম গুছিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে ব্যবহারের আগে নিজের ব্ল্যাঙ্কেট বা বালিশও স্যানিটাইজ করে নিতে হবে। যাত্রাকালে মাঝে মাঝে অন্তত ৪০-৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। যে সমস্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে, সেই ধরনের স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

এগুলির পাশাপাশি নিজেকেও কিছু সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। যাত্রাকালে সঙ্গে রাখতে হবে থ্রি লেয়ার মাস্ক। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিজইনফেক্টিং ওয়াইপ, সাবান-সহ প্রয়োজনীয় সমস্ত সরঞ্জাম গুছিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে ব্যবহারের আগে নিজের ব্ল্যাঙ্কেট বা বালিশও স্যানিটাইজ করে নিতে হবে। যাত্রাকালে মাঝে মাঝে অন্তত ৪০-৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। যে সমস্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে, সেই ধরনের স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখানো হয়েছে মুম্বই ২ ও দিল্লি ২ ক্লাস্টারে। যেখানে ১২টি করে আগ্রহপত্র জমা পড়েছে। হাওড়া ক্লাস্টারে আবেদন পত্র জমা পড়েছে ৯টি।

  • Share this:

#কলকাতা: বেসরকারি ট্রেন চালাতে ইতিমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশের একাধিক সংস্থা। বিদেশি সংস্থাও দৌড়ে রয়েছে। বেসরকারি ট্রেন চালু হলে তা কেমন হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সংস্থাগুলিকে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ভারতীয় রেল মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে ইতিমধ্যেই ১২ টি ক্লাস্টারে ট্রেন চালাতে চেয়ে ১৫টি ফার্ম আবেদন জানিয়েছে। সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখানো হয়েছে মুম্বই ২ ও দিল্লি ২ ক্লাস্টারে। যেখানে ১২টি করে আগ্রহপত্র জমা পড়েছে। হাওড়া ক্লাস্টারে আবেদন পত্র জমা পড়েছে ৯টি। যে সব সংস্থা আগ্রহ দেখিয়েছে তাদের মধ্যে আছে, আই আর সি টি সি, ভেল, এল অ্যান্ড টি, অরবিন্দ অ্যাভিয়েশন সহ মোট ১৫ সংস্থা। আবেদন পত্র গ্রহণের প্রথম দিনেই ১৫ সংস্থা আবেদন করায় খুশি রেল মন্ত্রক। কেমন হতে চলেছে বেসরকারি রেল? বেসরকারি রেল দেখতে হবে অনেকটা বুলেট ট্রেনের ধাঁচে। ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ যেমন দেখতে নয়া ট্রেনগুলি দেখতে সেরকমই হতে পারে।

ট্রেন তৈরি হতে পারে অ্যালুমিনিয়ামের। ফলে ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ট্রেন দৌড়তে কোনও অসুবিধা হবে না। তবে ওই গতিবেগে এই ট্রেন দৌড়লেও কোনও ঝাঁকুনি অনুভব করবেন না যাত্রীরা। এর জন্যে থাকছে অত্যাধুনিক ব্রেকিং ব্যবস্থা। রেলের অন্দরসজ্জায় অনেকটা তেজসের মতো ব্যবস্থা থাকবে। যাত্রীদের আসন হবে রিভলভিং চেয়ার। ফলে নিজের ইচ্ছা মতো যে কোনও দিকে চেয়ার ঘোরানোর ব্যবস্থা থাকবে। যাত্রী চেয়ারের হ্যান্ডেলে থাকা সুইচ দিয়েই সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। জানলা হবে বেশ অনেকটা বড়। তবে জানালায় গ্লেজড সেফটি গ্লাস থাকবে। এর ফলে যদি যাত্রী জানলার পাশে বসেন, তাহলে বাইরে থেকে আলো ভেতরে প্রবেশ করলেও যাত্রীর চোখে লাগবে না। ফলে কোনও অসুবিধা হবে না। কামরার ভেতরে থাকবে ডিজিটাল বোর্ড। সেখানে কামরার দু'প্রান্তে থাকবে এটি। যেখানে সমস্ত তথ্য ফুটে উঠবে।ট্রেন কোন স্টেশন অতিক্রম করছে।

আবহাওয়া এবং নানা খবর সেখানে দেওয়া থাকবে। কামরায় থাকবে ইনফ্রারেড ফায়ার  ডিটেকশন ইউনিট। এছাড়া কামরায় থাকবে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা। মনিটরিং করা যাবে মোটরম্যান ও গার্ডের কামরা থেকে। থাকবে টকব্যাক। ফলে কারও কোনও অসুবিধা হলে সে সরাসরি চালক-গার্ড এবং ট্রেন ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলতে পারবেন। প্রতিটি কামরার দরজা ভেতর ও বাইরে উভয় দিক থেকেই খোলা ও বন্ধের ব্যবস্থা থাকবে। ট্রেনের খাবার হবে দেশের সেরা হোটেলের খাবারের মতোই। ইতিমধ্যেই সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: