দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মদ্যপানের পরেই হঠাৎ মৃত্যু ১০ জনের, গুরুতর অসুস্থ ৭ জন

মদ্যপানের পরেই হঠাৎ মৃত্যু ১০ জনের, গুরুতর অসুস্থ ৭ জন
প্রতীকী ছবি৷
  • Share this:

#ভোপাল: মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলায় বিষাক্ত মদ খাওয়ার পরে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং কমপক্ষে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় পুলিশ অনুরাগ সুজানিয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সাত জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই শোচনীয় হওয়ায় তাঁকে গোয়ালিয়র হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে মোরেনার পৃথক দু’টি গ্রামে- পাহাওয়ালি গ্রামে ৩ জন এবং মনপুর গ্রামে ৭ জন মারা গিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় ভাবে তৈরি ওই মদটির স্বাদ অম্ল হত। স্থানীয় বসিন্দারা মদ্যপানের পর গভীর রাত থেকে বমি শুরু করে। এর পরে তাদের একটি হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই ১০ জন এবং মোরেনার হাসপাতালে একজন মারা গিয়েছিলেন। এরপরে গন্ডগোল বাধে। যেখানে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ গুলি পাঠানো হয়েছে, সেখানে গিয়ে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিক্ষোভ সৃষ্টি করে।

মঙ্গলবার ভোরে মোরেনা জেলা হাসপাতালের কয়েকজন গ্রামবাসী বলেছেন, স্থানীয় ভাবে তৈরি মদ এলাকায় সহজেই পাওয়া যেত এবং আবগারি দফতর ও পুলিশ কর্মকর্তাদের জানিয়েই এই মদ বিক্রি করা হত। তাহলে এই দুর্ঘটনা কী ভাবে হল? সেই বিষয় যদিও এখনই পুলিশ কিছু জানায়নি। জালিয়াতিযুক্ত মদের সঠিক উৎস খুঁজে পাওয়ার জন্য পুলিশ তদন্ত করছে।

অন্যদিকে, মোরেনা জেলার এক স্থানীয়ের কথায়, এরকম একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার পরে কেন মদ বিক্রি করতে পারছে না পুলিশ? কারণ, জালিয়াতি মদের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত রয়েছে আবগারি ও পুলিশ বিভাগের আধিকারিকরা।

আইজি চাম্বল রেঞ্জ, মনোজ শর্মা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, বাগচিনি থানার অন্তর্গত দুটি গ্রামের বাসিন্দা সোমবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বিষয়টি তদন্তের সময় ভুক্তভোগীদের একজন পুলিশকে জানিয়েছিল যে, মদ সরবরাহকারী এজেন্ট মুকেশ কিরার তাঁদের সাদা রঙের একটি তরল খাওয়ার জন্য দিয়েছিল। যেটা খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে।

আইজি বলেছেন স্থানীয় ভাবে কি এই মদ তৈরি করা হয়েছিল নাকি কোনও মদের দোকান থেকে কেনা হয়েছিল, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাদের মধ্যে অনেকের বমি বমি ভাব এবং শরীরে কম্পনের অভিযোগ করেছিলেন। তাদের দ্রুত জেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে আসা লোকের সংখ্যা যখন বাড়তে লাগল, তখন দেখা যায় তাঁরা সকলেই ওই সাদা রঙের তরল পদার্থ পান করেছেন।

Published by: Somosree Das
First published: January 12, 2021, 8:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर