Home /News /murshidabad /
Murshidabad News: দক্ষিণবঙ্গে এখনও সেই ভাবে বর্ষা না হওয়ায় সমস্যায় পাট চাষীরা 

Murshidabad News: দক্ষিণবঙ্গে এখনও সেই ভাবে বর্ষা না হওয়ায় সমস্যায় পাট চাষীরা 

title=

তীব্র রোদের ফলে পাট শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে লাভের মুখ দেখতে চাইলেও  বাধ সেধেছে প্রকৃতি

  • Share this:

    #মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী রাণীনগর ১ ও ২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঠে পাট চাষ করা হয়। পাট চাষের উপযোগী আবহাওয়ায় বৃষ্টির প্রয়োজন। কিন্তু খাতায় কলমে আবহাওয়াবিদরা রাজ্যে বর্ষা এসেছে বললেও এই অঞ্চলে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার ফলে সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। প্রচন্ড রোদে মাঠেই পুড়ছে পাট। যার ফলে মাথায় হাত কৃষকদের।

    যদিও শুক্রবার সামান্য বৃষ্টি হলেও সেই ভাবে এখনও বঙ্গে বর্ষা না আসায় সমস্যায় পড়েছেন পাট চাষীরা। তীব্র রোদের ফলে পাট শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে লাভের মুখ দেখতে চাইলেও বাধ সেধেছে প্রকৃতি । কিভাবে লাভবান হবেন তাও বুঝে উঠতে পারছেন না পাট চাষীরা। মুর্শিদাবাদ জেলার অধিকাংশ ব্লকই পাট চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাঁদের দাবী, সার, কীটনাশকের পাশাপাশি গরমের জন্য জলসেচ দিতে হচ্ছে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি। যা অনেকটাই ব্যয় বহুল। তার ফলে পাট বিক্রি করে আশানুরূপ লাভ হবে না বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা।অন্যদিকে অনেক কৃষকই মহাজনদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে পাটের চাষ করেছেন।

    আরও পড়ুন - মর্মান্তিক! শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদে বজ্রঘাতে মৃত্যু, আহত আরও ৮

    বৃষ্টি না হওয়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ তাঁদের। পাটকে সোনার আঁশ বলা হয়। খুবই গুরুত্বপূর্ণ ফসল পাট। ভারত সরকার পাট রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা রোজগার করে। শুধু পাট নয়, পাটজাত দ্রব্যও প্রচুর পরিমাণে বিদেশে রফতানি করা হয়। দেশের মধ্যে এই রাজ্যেই সর্বাধিক পাট চাষ করা হয়। অন্ততপক্ষে ২০ লক্ষ কৃষক পাট চাষ করে রোজগার করেন। প্রকার ভেদে একধরনের পাট উঁচু ও মাঝারি এবং নীচু জমিতে বোনা যায়। আবার অন্যটি খরাপ্রবণ, বন্যাপ্রবণ ও আবহাওয়ার প্রতিকূলতা সহ্য করতে পারে। পাট প্রাক খরিফ বা বর্ষকালীন ফসল। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া পাটচাষের পক্ষে অনুকুল। পাটগাছ তৈরি হওয়ার পরে মাঝে মাঝে রৌদ্র এবং মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হল অনুকুল পরিবেশ। সেই সময় পাট বৃদ্ধি পায়। এঁটেল এবং দোঁয়াশ দুরকম মাটিতেই পাটগাছ ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। পাটগাছ চারা অবস্থায় জমিতে জল দাঁড়ালে ফসলের বৃদ্ধি ব্যহত হয়।

    মূলত পাট মে মাসে বোনা হয়। ক্ষেত্র বিশেষে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্তও বপন করা যায়। পাট রোপণের আগে ৫-৬ বার চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করা হয়। এ সময় জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য গোবর, আবর্জনা সার, জৈব সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তবে বর্তমানে পাট চাষিদের এখন একটাই আশা বৃষ্টি হোক ঝেঁপে। তবেই বাঁচবে পাট চাষ।

    কৌশিক অধিকারী

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: Jute, Murshidabad news

    পরবর্তী খবর