Home /News /malda /
Malda Murder: অপহরণের ১০ দিন পর উদ্ধার গলাকাটা দেহ, চাঞ্চল্য মালদহের কাতলামারিতে

Malda Murder: অপহরণের ১০ দিন পর উদ্ধার গলাকাটা দেহ, চাঞ্চল্য মালদহের কাতলামারিতে

গলা কাটা দেহ উদ্ধার হলেও বিকেল পর্যন্ত মৃতের মাথার খোঁজ মেলেনি

গলা কাটা দেহ উদ্ধার হলেও বিকেল পর্যন্ত মৃতের মাথার খোঁজ মেলেনি

Malda Murder: গলা কাটা দেহ উদ্ধার হলেও বিকেল পর্যন্ত মৃতের মাথার খোঁজ মেলেনি। কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

  • Share this:

মালদহ :  অপহরণের দশদিন পর  দেহ উদ্ধার মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। কাতলামারি থেকে অপহৃত আব্দুল বারিকের  গলাকাটা দেহ উদ্ধার। বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচশো মিটার দূরে মাখনার জলাশয় থেকে আব্দুল বারিক নামে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার। গত ১৪ মে বাড়ি থেকে তাঁকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছিল বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এরপর থেকেই তাঁর খোঁজ মিলছিল না। তবে গলা কাটা দেহ উদ্ধার হলেও বিকেল পর্যন্ত মৃতের মাথার খোঁজ মেলেনি। কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

জানা গিয়েছে, এলাকা দখলকে ঘিরে কাতলামারি এলাকায় বাসির ও উনসাহাক গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের। দুই গোষ্ঠীই বর্তমানে শাসকদলের ছত্রছায়ায় রয়েছে। নিহত আব্দুল বারিক এক গোষ্ঠীর নেতা উনসাহাকের ভাইপো। তাঁকে অন্য গোষ্ঠীর মাথা বাসির ও তার দলবল অপহরণ করেছিল বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল বাসির। ঘটনার তদন্তে নেমে গতকাল নেপালে পালানোর সময় বাসিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করার পর আজ তাকে মালদহে আনা হয়। বেলার দিকে বাসিরের ছেলে সাদ্দামকে সঙ্গে নিয়ে জলাশয়ে তল্লাশিতে যায় পুলিশ।  সাদ্দামই জলাশয়ে বারিকের দেহ খুন করে ফেলে দিয়েছিল বলে দেখিয়ে দেয়। বারিকের গলা কাটা ছিল। তাঁর পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে দেহ মিললেও মাথার হদিশ এখনও মেলেনি। ধৃতদের নিয়ে বুধবার দুপুরে দেহের খোঁজে যায় পুলিশ । ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় ভিড় জমান কাতারে কাতারে মানুষ।

আরও পড়ুন : দোকানে ক্রেতাদের চা পরিবেশন করতে করতে কবিতা শোনাচ্ছেন গোবরডাঙার নিতাই মিস্ত্রি

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাতলামারির বাসির ও উনসাহাক গোষ্ঠীর বিবাদ তিন দশকেরও পুরনো। এলাকা দখলকে ঘিরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, গত ১৪ মে রাতে বাসির দলবল নিয়ে উনসাহাকের ভাইপো আব্দুল বারিকের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বাঁধা দেওয়ায় তাঁর স্ত্রী সায়েমা বিবিকেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তারপর থেকে এতদিন বারিকের খোঁজে তল্লাশি চালালেও তার হদিশ মেলেনি।

আরও পড়ুন : অতিমারি স্তিমিত হলেও আকাল পর্যটকদের, আক্ষেপ নবাবের শহরের টাঙাচালকদের

নিহতের ভাই সাহেবজান বলেন, ‘‘বাসির চায় ও একাই এলাকায় রাজত্ব করবে। আমরা বাধা দেওয়ায় একাধিকবার আমাদের উপরে গুলি চালানো হয়েছে। আমাকেও এক বার গুলি করা হয়েছিল। কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছি।’’

আরও পড়ুন : অসুখের নাম ‘মাঙ্কিপক্স’ কেন? কীভাবে ছড়ায় এই সংক্রামক অসুখ?

নিহতের স্ত্রী সায়েমা বলেন, ‘‘ স্বামীকে তো আর ফেরত পাব না। তবে অভিযুক্তদের যেন ফাঁসি হয়, এটাই চাই।’’ হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি হজরত আলি অবশ্য বলেন, ‘‘ওরা দুপক্ষই তৃণমূল করে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতি নেই। এটা বাসির ও উনসাহাকের পুরনো বিবাদ। আইন আইনের পথেই চলবে।’’

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Malda

পরবর্তী খবর