• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • WHILE PEOPLE ARE GROANING DUE TO LACK OF AMBULANCE LIFE PARTNER IS BEING RUINED DUE TO CARELESSNESS WEST MIDNAPORE AKD

অ্যাম্বুল্যান্সের অভাবে যখন কাতরাচ্ছে মানুষ, পশ্চিম মেদিনীপুরে অযত্ন আর অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে 'জীবনসাথী'

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদের আর্থিক আনুকূল্যে পাওয়া এই অ্যাম্বুল্যান্স। যে ক্লাবকে এই অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়া হয়েছিল, তাদের অবশ্য দাবি- সারাই ও রক্ষণাবেক্ষণ (Repairing and Maintenance) এর খরচ কুলোতে না পারায়, গত বছর থেকে চালানো সম্ভব হয়নি এই অ্যাম্বুল্যান্সটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদের আর্থিক আনুকূল্যে পাওয়া এই অ্যাম্বুল্যান্স। যে ক্লাবকে এই অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়া হয়েছিল, তাদের অবশ্য দাবি- সারাই ও রক্ষণাবেক্ষণ (Repairing and Maintenance) এর খরচ কুলোতে না পারায়, গত বছর থেকে চালানো সম্ভব হয়নি এই অ্যাম্বুল্যান্সটি।

  • Share this:

    একদিকে অতিমারী আবহে অ্যাম্বুল্যান্সের অভাবে মৃত্যু হচ্ছে করোনা আক্রান্তের,অন্যদিকে সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পেরে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন অনেকেই। কখনো আবার খবরের শিরোনামে উঠে আসে অসাধু অ্যাম্বুলান্স চালকদের কথা, যারা ১০ কিলোমিটারের জন্য ৫০০০-১০০০০ টাকা ভাড়া দাবি করে বসছেন অসহায় মানুষের কাছে। এমনই এক পরিস্থিতিতে পশ্চিম মেদিনীপুরে দেখা গেল সম্পূর্ণ অন্য এক ছবি! সাংসদ কোটায় পাওয়া জীবনসাথী অ্যাম্বুল্যান্স এই দুঃসময়ের মধ্যেও পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে অথচ নজর নেইকারোরই। ঘটনাটি, নারায়ণগড় ব্লকের বেলদা থানার ব্যাঙদা গ্রামের। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে রাজ্যসভার সাংসদের আর্থিক আনুকূল্যে পাওয়া এই অ্যাম্বুল্যান্স। যে ক্লাবকে এই অ্যাম্বুল্যান্স দেওয়া হয়েছিল, তাদের অবশ্য দাবি- সারাই ও রক্ষণাবেক্ষণ (Repairing and Maintenance) এর খরচ কুলোতে না পারায়, গত বছর থেকে চালানো সম্ভব হয়নি এই অ্যাম্বুল্যান্সটি।

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে বেলদাতেনির্ধারিত প্রকল্প"জীবন সাথী" এর খাতে এই অ্যাম্বুল্যান্সটি দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল সাংসদ দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তহবিল থেকে। বেলদা থানার ব্যাঙদা গ্রামের "নিবেদিতা সংঘ" নামে ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল এই অ্যাম্বুল্যান্স। ক্লাবের সম্পাদকউৎপল মহাপাত্র জানান, "কিছুদিনের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্সটি পড়ে রয়েছে এটা ঠিক। মূলত চালকের সমস্যার করাণে আমরা এটি সক্রিয় রাখতে পারিনি। পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স থেকে সেরকম আয়ওহয়নি। পরে অবশ্য, খারাপ হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় অর্থ খরচ করে এবং ড্রাইভার রেখে চালানোর মতো অর্থ জোগাড় করতে পারিনি আমরা।" এক কথায় ক্লাবের কর্ণধার অ্যম্বুলান্স অচল থাকারদায় চাপিয়েছেন চালকের উপর! যদিও স্থানীয়দের দাবি, অতিমারীর এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটা অ্যাম্বুলেন্স পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে, যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক! একসময়বহু ক্লাবকে এরকম অ্যাম্বুলেন্স তুলে দেওয়া হয়েছিল সামাজিক কাজকর্ম করার জন্য। তবে পরে আর সেই সমস্ত গাড়ির ক্ষণাবেক্ষণের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে অর্থেরঅভাবে এভাবেনষ্ট হচ্ছে কয়েক লাখ টাকা দামের এই সমস্থ অ্যাম্বুলান্স।যদিও ক্লাবের অপর এক সদস্যের দাবি, গতবারের কোভিড পরিস্থিতিতে যে লকডাউন ঘোষণা হয়েছিলো তখনওচলেছিল এই অ্যাম্বুলান্সটি । এবারও, লকডাউন উঠলে অ্যাম্বুল্যান্সটি সারানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে ক্লাবের তরফে।অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, কোভিড পরিস্থিতিতে এই অ্যাম্বুলেন্স অবিলম্বে চালু করা হোক।এই বিষয়ে নারায়ণগড়ের বিডিও রেনুকা খান জানিয়েছেন, "খোঁজ নিয়ে দেখেছি অ্যাম্বুল্যান্সটি পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। আমরা ওই ক্লাব কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠাবো। ওনারা যদি সারাই করে চালাতে না পারেন, ব্লক প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে পারেন। আমরা এটিকে কাজে লাগাতে পারি। এইভাবে সরকারি অনুদানের টাকায় অ্যাম্বুলেন্স পড়ে পড়ে নষ্ট হবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।" অন্যদিকে, করোনা অতিমারীর এই ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউয়ে সারা দেশের সাথে সাথে বাংলার প্রতিটি এলাকা যখন চরম সংকটে, শ্বাসকষ্টের কারণে প্রাণ হারাচ্ছেন একাধিক করোনা আক্রান্তরা, সেই সময় আস্ত একটা অ্যাম্বুল্যান্স পড়ে পড়ে নষ্ট হতে দেখে কপাল চাপড়াচ্ছেন এলাকাবাসীরা!

    First published: