Home /News /local-18 /
West Bardhaman News- পিঠে-পুলি, খেজুর গুড়ের অবিচ্ছেদ্য জুটি। স্বাদ বজায় রাখতে স্বীকৃতি চাইছেন ব্যবসায়ীরা।

West Bardhaman News- পিঠে-পুলি, খেজুর গুড়ের অবিচ্ছেদ্য জুটি। স্বাদ বজায় রাখতে স্বীকৃতি চাইছেন ব্যবসায়ীরা।

দুর্গাপুরে রাস্তার ধারে সাজানো হয়েছে খেজুর গুড়ের ব্যবসা।

দুর্গাপুরে রাস্তার ধারে সাজানো হয়েছে খেজুর গুড়ের ব্যবসা।

বাংলার সঙ্গে যেমন দুর্গাপুজোর সম্পর্ক রয়েছে, যেমন ভাবে সম্পর্ক রয়েছে রসগোল্লার, ঠিক তেমনভাবেই খেজুর গুড়ও বাংলার ঐতিহ্য বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান- শীতকালের সঙ্গে বাংলার মাটিতে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে খেজুর গুড়ের। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া জেলাগুলিতে, খেজুর গুড়ের রমরমা দেখা যায় শীতকালে (West Bardhaman News)। শীতকাল শুরুর সময় থেকেই রাস্তার দু'ধারে খেজুর গুড় বিক্রি করতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।

    একটু গ্রাম অঞ্চলের দিকে গেলে দেখা যাবে, চোখের সামনেই তৈরি হচ্ছে খেজুর গুড়। পিঠে পুলি উৎসব এর মতো, শীতকালে খেজুর গুড়ের স্বাদও মিস করতে চাননা রাজ্যের বহু মানুষ। বাংলার সঙ্গে যেমন দুর্গাপুজোর সম্পর্ক রয়েছে, যেমন ভাবে সম্পর্ক রয়েছে রসগোল্লার, ঠিক তেমনভাবেই খেজুর গুড়ও বাংলার ঐতিহ্য, বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা (West Bardhaman News)। আর এবার সেই খেজুর গুড়ের স্বীকৃতির দাবি তুললেন ব্যবসায়ীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে খেজুর গুড়কে স্বীকৃতির আর্জি জানিয়েছেন খেজুর গুড় ব্যবসায়ীরা। খেজুর গুড় তৈরির ক্ষেত্রে শ্রমিকদের যে পরিমাণ শ্রম দিতে হয়, সে তুলনায় রোজকার অনেক নগণ্য বলেই মনে করেন বহু ব্যবসায়ী। তাই তাদের দাবি, খেজুর গুড়কে রাজ্যে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাহলে খেজুর গুড় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন অনেক উৎসাহিত হবেন। পাশাপাশি খেজুর গুড় যদি রাজ্য সরকারের স্বীকৃতি পায়, তাহলে ব্যবসা সম্প্রসারণে অনেক সুবিধা হবে ব্যবসায়ীদের। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খেজুর গুড়কে রাজ্যস্তরের স্বীকৃতির দাবি তুললেন ব্যবসায়ীরা।

    উল্লেখ্য, শীতকাল পড়লে খেজুর গুড়ের মন মাতানো স্বাদ আর অপরূপ গন্ধে ভরে ওঠে চারদিক। আর এটা শুধু তখনই সম্ভব, যদি খাঁটি গুড় পাওয়া যায়। খাদ্যরসিক বাঙালির শীতকালের অন্যতম সেরা খাবার পিঠে, যে পিঠের স্বাদ কয়েকগুণ বেড়ে যায় খেজুর গুড়ের জুটিতে (West Bardhaman News)। তাছাড়াও, নলেনগুড়ের রসগোল্লা, খেজুরগুড়ের পায়েস ইত্যাদির স্বাদও বাঙালির মনে সব সময় থেকে যায়।

    কিন্তু খেজুর গুড় তৈরিতে প্রচুর পরিমাণ শ্রম দিতে হয় ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজনকে। হাড় হিম করা ঠান্ডায় সংগ্রহ করতে হয় খেজুর রস।এই সময়ই শহর- গ্রামগঞ্জে রাস্তার ধারে দেখতে পাওয়া যায় গুড় ব্যবসায়ীদের। কনকনে এই শীতের সময়, জীবিকা নির্বাহের তাগিদে, ফাঁকা মাঠে খেজুর পাতার ঝুপড়ি বানিয়ে বাস করতে হয় খেজুর গুড় তৈরির কারিগরদের। চার মাসের এই ব্যবসার ওপর ভিত্তি করে তাদের পরিবারের মানুষেজনেরা।

    ইতিমধ্যেই দুর্গাপুরে (West Bardhaman News), নদীয়ার নাকাশিপাড়া থেকে আসা এক গুড় ব্যবসায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আরজি জানিয়েছেন, এই খেজুর গুড়কে শিল্পের স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাঁর ফলে সরকারি বিভিন্ন অনুদানের সাহায্য পাবেন তারা। উপকৃত হবে তাদের মতো গুড় ব্যবসায়ীরা।

    Nayan Ghosh
    First published:

    Tags: Businessman, Jaggery, West Bardhaman

    পরবর্তী খবর