• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • রাস্তা চেয়ে জুটেছে মারধর, তবুও হয়নি রাস্তা

রাস্তা চেয়ে জুটেছে মারধর, তবুও হয়নি রাস্তা

তবে রাস্তার হাল বেহাল। হাঁটুসমান কাদা-জল পেরিয়ে পৌঁছতে হয় গন্তব্যে।

তবে রাস্তার হাল বেহাল। হাঁটুসমান কাদা-জল পেরিয়ে পৌঁছতে হয় গন্তব্যে।

তবে রাস্তার হাল বেহাল। হাঁটুসমান কাদা-জল পেরিয়ে পৌঁছতে হয় গন্তব্যে।

  • Share this:

    জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মাটির রাস্তা। বর্ষাকালে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা দুষ্কর হয়ে পরে। অথচ এই রাস্তাটির উপর নির্ভর করে বাইশটি আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামের মানুষ। তাছাড়াও তিলকচন্দ্রপুর, দেবশালা পঞ্চায়েতের গ্রামগুলিতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান এই রাস্তাটি। তবে রাস্তার হাল বেহাল। হাঁটুসমান কাদা-জল পেরিয়ে পৌঁছতে হয় গন্তব্যে।

    ৩৪ বছরের বাম জমানায়, সরকারের  কোনরকম নজর পড়েনি এই রাস্তায়। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর, কিছুটা আশায় বুক বেঁধেছিলেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু না তাতেও রাস্তা হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রাস্তা চেয়ে সেদিন জুটেছিল মার। যদিও প্রতিশ্রুতি মিলেছিল, রাস্তা তৈরি হবে। কিন্তু প্রতিশ্রুতির বছর ঘুরেছে। তবে রাস্তা আছে সেই আগের অবস্থাতেই।

    গত বছর জুলাই মাসে রাস্তার আবেদন নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন আদিবাসী অধ্যুষিত ২২ টি গ্রামের মানুষ। মানুষজনের বিক্ষোভে সেদিন উত্থান হয়েছিল পরিস্থিতি। গ্রামবাসীদের কপালে জুটেছিল মার। আদিবাসী বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল জেলা। আগুনে জল ঢালতে হাজির হয়েছিলেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তারা। ভরা বর্ষায় ওই মাটির রাস্তায়  আটকে গিয়েছিল প্রশাসনিক কর্তাদের গাড়ি চাকা। রাস্তার অবস্থা কতটা ভয়ঙ্কর, আধিকারিকরা তা বুঝতে পেরেছিলেন। প্রশাসনের কর্তারা সেদিন আদিবাসীদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পাকা রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হবে। কিন্তু বছর ঘুরলেও সেই রাস্তা তৈরি হয়নি। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রশাসন ভুলে গিয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, তাদের গ্রামে ঢোকার প্রধান রাস্তা এখনও চরম বেহাল। আদিবাসীদের অনুমান, তাদের দাবি, সঠিক জায়গায় পৌঁছচ্ছে না তাদের দাবি। ফলে কোন অজ্ঞাত কারণে তৈরি হচ্ছে না এই রাস্তাটি। যে রাস্তার ওপর নির্ভর করছে ২২ টি গ্রামের মানুষের জীবনযাপনের ধারা। গত এক বছর আগের অপমান এবং মার এখনও ভুলতে পারেননি সেই সমস্ত মানুষজন। একইসঙ্গে প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এখনও পাননি পাকা রাস্তা।

    বেসরকারি গ্যাস উত্তোলন সংস্থার অফিস থেকে কুলডিহা পর্যন্ত এই রাস্তা সাত কিলোমিটার লম্বা। এই রাস্তা দিয়েই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে বাধ্য হতে হয়। ২২টি গ্রামের মানুষ ছাড়াও, গোপালপুর – বামুনাড়া শিল্পতালুক , বিধাননগর , আরআইপি শিল্পতালুকে  কর্মক্ষেত্রে আসার জন্য আউশগ্রাম, মলানদিঘি অঞ্চলের  শ্রমিকেরাও এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করেন।

    স্থানীয়দের দাবি, বাম আমলের ৩৪ বছর এবং তৃণমূলের ১১ বছরে এই রাস্তা হয় নি। প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু কোনও লাভ হয় নি । সন্ধ্যা নামলে অ্যাম্বুলেন আসে না বেহাল রাস্তার জন্য। স্থানীয়দের আক্ষেপ, মার খেতে হয়েছে রাস্তার আবেদন করার জন্য, তবুও মেলেনি রাস্তা ।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: