Home /News /local-18 /

West Bardhaman- দেশীয় 'বটম ক্লিন' পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন লাভের মুখ।

West Bardhaman- দেশীয় 'বটম ক্লিন' পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন লাভের মুখ।

বটম ক্লিন পদ্ধতির জন্য তৈরি করা বিশেষ আকৃতির চৌবাচ্চা।

বটম ক্লিন পদ্ধতির জন্য তৈরি করা বিশেষ আকৃতির চৌবাচ্চা।

পাঁচ মিনিট সময় ধরে চৌবাচ্চার নিচের অংশের নোংরা জল বের করে দেওয়া হচ্ছে। আর দশ মিনিট ধরে সেই চৌবাচ্চায় ভর্তি করা হচ্ছে পরিষ্কার জল।

  • Share this:

    #পশ্চিম বর্ধমান- চাকরির আশায় বসে নেই তারা। নিজেদের উপার্জনের পথ খুঁজে নিয়েছেন এই কঠিন সময়েও। শুধু নিজের নয়, অন্য কর্মহীন বেকারদের কাছেও দেখাচ্ছেনা আশার আলো। দেখাচ্ছেন আয়ের দিশা। দেশীয় পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখছেন লাভের মুখ। বাঙালির পাতে পুরনো মাছের স্বাদ ফিরিয়ে দিতে সচেষ্ট দুর্গাপুরের এক নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত পারুলিয়ার দুই যুবক। বটম ক্লিন পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে দেখেছেন লাভের মুখ। স্বল্প খরচে মৎস্য প্রকল্প তৈরি করে উপার্জন করছেন তারা। সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করে কীভাবে আয় করতে পারেন বেকার যুবক যুবতীরা, সে বিষয়ে দেখাচ্ছেন আশার আলো। আবার মৎস্য প্রকল্প উৎপাদিত মাছের স্বাদ যাতে কোনভাবে বদলে না যায়, সেদিকেও নজর রেখেছেন।

    প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক বটম ক্লিন পদ্ধতি কি? খুব সাধারণ এই পদ্ধতিতে, মাছ চাষের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশাল আকৃতির একটি চৌবাচ্চা। চৌবাচ্চার আকৃতি তৈরি করা হয়েছে কড়াই এর মত। সেখানেই মাছ চাষ করা হচ্ছে। সারাদিন চৌবাচ্চার নিচে যে আবর্জনা জমছে, তা বের করে দেওয়া হচ্ছে সকালবেলা। পাঁচ মিনিট সময় ধরে চৌবাচ্চার নিচের অংশের নোংরা জল বের করে দেওয়া হচ্ছে। চৌবাচ্চার নিচে বিশেষ পদ্ধতিতে লাগানো পাইপের মাধ্যমে সেই জল বের করা হচ্ছে। আর দশ মিনিট ধরে সেই চৌবাচ্চায় ভর্তি করা হচ্ছে পরিষ্কার জল। এভাবেই মাছ চাষ করছেন পারুলিয়ার অনন্ত রুইদাস এবং বাসক প্রায়।

    এই বিষয়ে ওই দুই যুবক জানিয়েছেন, তারা মুর্শিদাবাদ থেকে বটম ক্লিন পদ্ধতিতে মাছ চাষ করার প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। আপাতত তারা এই পদ্ধতিতে শিঙি এবং কই মাছ চাষ করছেন। মাছ চাষের জন্য কোনওরকম রাসায়নিক পদার্থ বা খাবার ব্যবহার করা হচ্ছে না। প্রাকৃতিকভাবে মাছের খাদ্য তৈরি করা হচ্ছে। ফলে, সেখানে খরচ কম হচ্ছে। এইভাবে মাছ চাষের জন্য মাছের গুণগতমানের ক্ষতি হচ্ছে না। পুকুরের মতই চৌবাচ্চায় চাষ করা স্বাদে কোনও বদল হচ্ছে না। ফলে ক্রেতারাও সন্তুষ্টির সঙ্গে সেই মাছ কিনছেন। পাতে তুলে নিচ্ছেন। সবমিলিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে তারা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন। তা ছাড়াও, বাজারে শিঙি এবং কই মাছের চাহিদা রয়েছে। তাই চাষ করা মাছ বাজারজাত করতে খুব বিশেষ অসুবিধা হচ্ছে না তাদের।

    এই বিষয়ে অনন্ত রুইদাস বলেছেন, তারা খুব সহজেই এই মাছ চাষের পদ্ধতি শিখতে পেরেছেন। খুব অল্প পুঁজিতে শুরু করতে পেরেছেন এই মৎস্য প্রকল্প। তাছাড়াও, অল্প সময়ের মধ্যেই তারা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন। বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য আয়ের নতুন দিশা দেখাচ্ছেন পারুলিয়ার দুই যুবক উদ্যোক্তা অনন্ত রুইদাস এবং বাসক রায়।

    Published by:Samarpita Banerjee
    First published:

    Tags: Durgapur, Fish, West Bardhaman

    পরবর্তী খবর