• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • Sundarban News|| নদীর চড়ে মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ, আতঙ্কে গোটা গ্রাম

Sundarban News|| নদীর চড়ে মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ, আতঙ্কে গোটা গ্রাম

আতঙ্কে গোটা গ্রাম, মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ

আতঙ্কে গোটা গ্রাম, মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ

Bangla News: সরলার জঙ্গল লাগোয়া নদীর পাড়ে দুটি বাঘ দেখতে পান কয়েকজন মৎস্যজীবীরা।

  • Share this:

    #সুন্দরবনে: চলতি বছরে বাঘের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবী। তাদের মধ্যে অনেকেরই প্রাণ গেছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানাচ্ছেন, সুন্দরবনে এর আগে এত ঘন ঘন বাঘের আক্রমণের শিকার হতে হয়নি মানুষকে। গতকালই লখাই নস্কর নামে একজন কাঁকড়া শিকারী বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন। রেশ কাটতে না কাটতেই, আবারও সুন্দরবনের লোকালয়ে বাঘের আতঙ্ক। আতঙ্কিত গোটা গ্রামের মানুষজন। এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছেন বনকর্মীরা। ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    এ দিন পাথরপ্রতিমার হেরম্ব গোপালপুর অঞ্চলের দক্ষিণ কাশীনগরের কাছে সরলার জঙ্গল লাগোয়া নদীর পাড়ে দুটি বাঘ দেখতে পান কয়েকজন মৎস্যজীবী। তড়িঘড়ি মৎস্যজীবীদের কেউ কেউ নিজেদের মোবাইলে বাঘের ছবিও তোলেন। দেখতে পাওয়া যায় বাঘের পায়ের ছাপও। আর এই খবর চাউর হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। বাঘ দুটি ভাসানী দু'নম্বর জঙ্গল থেকে ঠাকুরান নদী পেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে বলে এলাকার বাসিন্দারা মনে করছেন। আতঙ্কের মধ্যে পরিবারের সদস্যদের ঘর বন্দি করে রাত পাহারায় সামিল হন ওই এলাকার পুরুষরা। মশাল জ্বালিয়ে ও বিভিন্ন রকমের শব্দ করে চলে এলাকায় টহলদারি। তীব্র আতঙ্কের মধ্যেই কাটে সারারাত। পরে, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে, এলাকায় আসে বনবিভাগের রায়দিঘি রেঞ্জের অফিসার ও কর্মীরা।

    এরপর বনকর্মীদের উদ্যোগে সরলা জঙ্গল লাগোয়া দক্ষিণ কাশীনগর এলাকায় জাল লাগানোর কাজ শুরু হয়। গ্রামের শিশু, মহিলা ও বয়স্ক মানুষজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নদীর পাড় বরাবর ও গ্রামের বেশ কিছু অন্ধকার জায়গায় আলো লাগানো হয়েছে। ব্যবস্থা করা হয় জেনারেটরেরও। এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে বনদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। রাত ভোর এই নজরদারি জারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। বনকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্ত রকম সহযোগিতা করছে এলাকার বাঘ রক্ষা কমিটির সদস্যরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বনকর্তারা বলছেন, 'বাঘকে কেন্দ্র করে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ তাতে পরিস্থিতি আরও ঘোরাল আকার নিতে পারে৷ নিজেদেরকে সাবধানতা বজায় রাখতে হবে।'

    তবে নদীর চড়ে বাঘের পায়ের ছাপ মিললেও, এখনও পর্যন্ত লোকালয়ে বাঘের উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি বলেই বনদপ্তর সূত্রে খবর। তবে এখন বাঘের আতঙ্কেই দিন কাটছে ওই এলাকার মানুষদের।

    রুদ্র নারায়ন রায়

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: