• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • THE FAMOUS CLOTH MARKET OF SANTIPUR IS ABOUT TO OPEN AFTER LOCKDOWN SDG

অবশেষে খুলতে চলেছে শান্তিপুরের বিখ্যাত তাঁতের কাপড়ের হাট

শান্তিপুরের প্রায় ষাট শতাংশ মানুষ তন্তুজিবী এবং আরও কুড়ি শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।

শান্তিপুরের প্রায় ষাট শতাংশ মানুষ তন্তুজিবী এবং আরও কুড়ি শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত।

  • Share this:

    #শান্তিপুরঃ শান্তিপুরের প্রায় ষাট শতাংশ মানুষ তন্তুজিবী এবং আরও কুড়ি শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। তাই শান্তিপুরের অর্থনীতি মূলত তাঁত প্রধান। আধুনিক যন্ত্র চালিত পাওয়ার লুম আসার পর থেকে ক্রমশ নিঃশেষের পথে হস্তচালিত তাঁত। শুধু তাই নয়, আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে কমছে শাড়ী ব্যবহারের ঢল। অন্যান্য পোশাক-আশাকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের একটা মোটা অংশ।। তাই বাজারে শাড়ী কোনাকাটায় দেখা যাচ্ছে ভাটা। ফলত আর্থিক মন্দার কারণে এই ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের সঙ্গে জড়িত থাকা হাজার হাজার তাঁতি বেছে নিয়েছেন অন্য উপার্জনের পথ।কেউ বা সংসারের খরচ জোগাড় করতে পাড়ি দিয়েছেন জেলা ছাড়িয়ে রাজ্যে বা রাজ্যের বাইরেও।এরকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে, করোনা সংক্রমনের ভয়ে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী দীর্ঘ লকডাউনে বন্ধ রাখা হয় তাঁতের হাট। মাত্র কয়েক মাসের জন্য খোলার পর আবারও আংশিক লকডাউনে বন্ধ হল দ্বিতীয়বারের জন্য এই হাট।

    হাট মালিক সমিতি জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করে অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে হাটখোলার বিষয়ে। তবে মাক্স স্যানিটাইজার ব্যবহার পারস্পারিক দূরত্ব বিধি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসন। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে খুলে যাচ্ছে শান্তিপুরের বঙ্গ, ঘোষ এবং জগদ্ধাত্রী মূলত এই তিনটি প্রধান হাট।আগের মতোই সপ্তাহে বৃহস্পতি এবং রবিবার এই দুদিন চালু থাকবে হাট। মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই তিনটি হাটে সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার বিক্রেতা পশরা সাজিয়ে বসেন। তবে হাট খুললেও গনপরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ থাকার কারণে অনেকেই আসতে পারবেননা বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে হাট কর্তৃপক্ষের তরফে। একই কারণে অন্যদিকে দূর-দূরান্তের ক্রেতারাও অনেকেই পৌঁছতে পারবেন না হাটে। তাই ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে নেই বললেই চলে।

    তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তাঁত কাপড়ের আদান-প্রদানে কিছুটা হলেও অর্থনীতি অনেকটাই চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেনহাট মালিক কর্তৃপক্ষ।আর সেই কারণে অতি তৎপরতার সাথে শান্তিপুর দমকল বিভাগকে আজ সকাল ৭ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত দেখা গেলো তিনটি হাটের দ্বিতল, ত্রিতল এবং ওই সংলগ্ন রাস্তাঘাট স্যানিটাইজ করতে। তবে বিশেষ সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহে দুদিন করে বসা শান্তিপুর স্টেশন সংলগ্ন রেডিমেড হাট এবং শান্তিপুর থানার মোড়ের হাটও নিজ নিজ দিন অনুযায়ী সচল থাকবে আগের মতোই। প্রতিটি ক্ষেত্রেই করোনাবিধি মানতে হবে বলে জানানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: