হোম /খবর /শিলিগুড়ি /
করোনাকালে এগিয়ে এল যুবরা, পথকুকুরদের পাশে শিলিগুড়ির 'ডোগ্যাটো'

করোনাকালে এগিয়ে এল যুবরা, পথকুকুরদের পাশে শিলিগুড়ির 'ডোগ্যাটো'

২০২১-এর মধ্যে শহরের সমস্ত পথকুকুরদের পেট ভরার দায়িত্ব নিয়েছে যুবকের এই দল।

  • Share this:

ভাস্কর চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: চারিদিকে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনের পর দিন মানুষ অর্থাভাবে ভুগছে। এছাড়াও রয়েছে খাদ্যের অভাব, চাকরির অভাব। কর্মহীনতা, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ধুঁকছে সাধারণ জনজাতি। এককথায় স্তব্ধ এই দ্রুত এককালে দ্রুতগতিতে চলা জনজীবন। আমাদের সঙ্গে এই সমাজে আরও জীব বসবাস করে, কিন্তু তাদের কথা আমরা ভাবিনি, ভেবে থাকলেও করে উঠতে পারিনি কিছুই।

আমরা নিজেদের সমস্যার কথা ভাবলেও কখনও কী ভেবেছি ওই নীরব প্রাণীদের কথা? চায়ের ঠেকে আড্ডায় বসে কখনও কী কোনও নামহীন পথকুকুর আপনার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়েছে? ওদের কথা কতই বা মনে করি আমরা?

আভিজাত্যের ঘেরাটোপে,  ভালোবাসার আঙিনায় নামীদামি কুকুর আপনার বাড়ির অন্যতম সদস্য হয়ে উঠেছে। তার জন্য আসছে নামী ব্র্যান্ডের খাবার। কিন্তু সেই পথকুকুরদের দেখার কেউ নেই। নিয়মিত যে তারা খাবার পাবে, তারও কোনও ঠিক নেই। এবার তাদের কথা ভাবতেই শিলিগুড়ির একদল যুবক এক অভিনব উদ্যোগ নিল।

আমাদের জন্য জোম্যাটো রয়েছে, তাই পথকুকুরদের জন্য এমন এক উদ্যোগের মজাদার নাম দেওয়া হয়েছে ডোগ্যাটো। ২০২১-এর মধ্যে শহরের সমস্ত পথকুকুরদের পেট ভরার দায়িত্ব নিয়েছে যুবকের এই দল।

দায়িত্বে থাকা সৌরভ গোয়েল ও কেশব গোয়েল বলেন, 'আমাদের জন্য জোম্যাটো থাকলে পথকুকুরদের জন্য কেন কিছু থাকবে না? তাই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা দেখে এসেছি যে পথকুকুরের ব্যাপারে তেমন কেউ ভাবনাচিন্তা করে না। তাই, আমরা শিলিগুড়ির বিভিন্ন রেস্তরাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে প্রত্যেক রাতে বেচে যাওয়া খাবার আমরা নিয়ে আসি। সেই খাবার আমরা শহরের বুকে হেটে বেড়ানো পথকুকুরদের দিয়ে আসি। তবে আমরা ডাল, ভাতই নিয়ে আসি, যেগুলো কুকুরদের খাওয়ার উপযোগী।'

যুবদের এই দল পৌঁছে যাচ্ছে শহরের অলিগলি, পাড়ায় পাড়ায়। শহরের বুকে শুধু মানুষই নয়, পথকুকুরদের কেউই থাকবে না অভুক্ত, এই বার্তায় জোর দিল টিম 'ডোগ্যাটো'।

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Street Dogs