হোম /খবর /শিলিগুড়ি /
করোনার থাবায় ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগের নেই খবর! হতাশ দুই বঙ্গবাসী

করোনার থাবায় ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগের নেই খবর! হতাশ দুই বঙ্গবাসী

ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ রেল সংযোগ। তৈরি নিউ জলপাইগুড়ি অর্থাৎ এনজেপি স্টেশনের একনম্বরপ্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে স্বচ্ছ চকচকে নয়া প্ল্যাটফর্ম। কথা ছিল এনজিপি থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টগামী ট্রেন এখানে এসেই দাঁড়াবে। কিন্তু সে কথা এখন অধরা স্বপ্ন!

আরও পড়ুন...
  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ রেল সংযোগ। তৈরি নিউ জলপাইগুড়ি অর্থাৎ এনজেপি স্টেশনের একনম্বরপ্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে স্বচ্ছ চকচকে নয়া প্ল্যাটফর্ম। কথা ছিল এনজিপি থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টগামী ট্রেন এখানে এসেই দাঁড়াবে। কিন্তু সে কথা এখন অধরা স্বপ্ন! যাত্রীদের বসার চেয়ার থেকে শুরু করে প্রতীক্ষালয়, সব এখন ধুলোময়। কারণ, দুই দেশের অন্তর্বর্তী ট্রেন চলাচল বন্ধ।

রেল দফতরের সঙ্গে বারংবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কোনও সদুত্তর মেলেনি। তবে নাম অপ্রকাশের শর্তে এক রেল কর্মী বলেন, 'দাদা, এখন তো করোনা। মানুষ আসা-যাওয়া সব বন্ধ। ট্রেন চালিয়ে কি হবে বলুন তো?'

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে নতুন একটি ট্রেন চালু করার কথা ঘোষণা করে দুই দেশের রেল মন্ত্রক। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নতুন এই ট্রেনের ঘোষণা করা হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের শহর শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) স্টেশন থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত চলবে এই প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি।

ভারত-বাংলাদেশের দুই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন আন্তর্জাতিক হলদিবাড়ি-চিলাহাটি রেল রুটের। ঐতিহাসিক এই মহেন্দ্রক্ষণের স্বাক্ষী ছিল প্রতিবেশী দুই বাংলা। ওপার বাংলায় এই রেল রুটের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল সাঁজো সাঁজো রব। ওই দেশের চিলাহাটি রেল স্টেশনে ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছিল দুই দেশের পতাকা লাগানো স্মারক। খাটানো হয়েছিল বড় তাবু। চিলাহাটি রেল স্টেশনকে ফুল ও বাহারি আলোতে সাঁজিয়ে তোলা হয়েছিল। সাজানো হয়েছিল ৩২টি ওয়াগন যুক্ত একটি পণ্যবাহী ট্রেনও। ইঞ্জিনের সামনে লাগানো হয়েছিল দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ছবি যুক্ত ফ্লেক্স। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে সরাসরি সম্প্রচার করার জন্য বড় পর্দায় ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। কিন্তু এতকিছুর পরও স্তব্ধ সেই আন্তর্জাতিক রুট।

এবিষয়ে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসম্পর্করক্ষী আধিকারিক শুভানন চন্দ বলেন, 'কোভিডবিধি মেনে বাস-ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিষেবা চালু হবে। স্টেশন একই থাকবে কিন্তু প্ল্যাটফর্ম আলাদা রাখা হয়েছে। সেখানেই ইমিগ্রেশন প্রসেস হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'আপাতত এই মৈত্রী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকেই বের হবে। তবে পরে কীভাবে কোভিড প্রটোকল মেনে চলাচল শুরু হবে, সেটি আলোচনা সাপেক্ষ।'

Vaskar Chakraborty

Published by:Piya Banerjee
First published:

Tags: Bangladesh, NJP