• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • ভারতীয় সেনা জওয়ানের সহযোগিতায় চিকিৎসা পেল অসুস্থ্ মেয়ে 

ভারতীয় সেনা জওয়ানের সহযোগিতায় চিকিৎসা পেল অসুস্থ্ মেয়ে 

ভারতীয় সেনা জওয়ানের সহযোগিতায় চিকিৎসা পেল অসুস্থ্ মেয়ে 

ভারতীয় সেনা জওয়ানের সহযোগিতায় চিকিৎসা পেল অসুস্থ্ মেয়ে 

টাকার অভাবে চিকিৎসা না করতে পেরে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতেই পড়ে ছিল আদিবাসী পরিবারের মেয়ে

  • Share this:

    #নদিয়া: টাকার অভাবে চিকিৎসা না করতে পেরে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতেই পড়ে ছিল আদিবাসী পরিবারের মেয়ে।অবশেষে ভারতীয় সেনা জওয়ানের সহযোগিতায় চিকিৎসা পেল অসুস্থ মেয়েটি। শুধু তাই নয় দীর্ঘ ২৫ বছর পর বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করলো বিএসএফ এর সীমান্ত রক্ষীরাই। এমনই মানবিকতার সাক্ষী থাকলো নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের ভাজন ঘাট টুঙ্গী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম নোনাগঞ্জ। গ্রামটিতে মূলত আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের বসবাস। এই গ্রামেই বাস করেন জগন্নাথ মল্লিক। পেশায় তিনি দিনমজুর। লকডাউনের ফলে তেমনভাবে কাজ কর্ম নেই। সংসারে চার মেয়ে সহ স্বামী স্ত্রীর সংসার। গতবছর লকডাউনের সময় বড় মেয়ে মারা যান অসুখে।

    বর্তমানে তিন মেয়ে স্বামী স্ত্রী নিয়ে বসবাস করেন জগন্নাথ মল্লিক। ঠিকভাবে কাজ না থাকায় পরিবারে দু বেলা খাবারও জোটে না তাদের।অভাবী সংসার তার ওপর এবারের লকডাউনে মেজো মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।ঔষধ কেনার টাকা না থাকায় চিকিৎসক দেখানো সম্ভব হয়নি তার ওপর তিন দিন ধরে বাড়িতে খাদ্যের অভাব। প্রতিবেশীদের কাছে ছুটে গেলেও কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে গিয়েও কোনও লাভ হয়নি।একরাশ হতাশা বুকে বেধে নিয়ে ফিরতে হয়েছে জগন্নাথ মল্লিককে।কারোর সাহায্য না পেয়ে মেয়েকে মুত্যুর মুখে ঠেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন জগন্নাথ বাবু। তিনদিন অনাহারে থাকার পর অসুস্থ মেয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন।বাবা হয়ে মেয়ের মুখে একটু ঔষধ তুলে দিতে না পেরে চোখের জলে বুক ভাষাচ্ছেন অসহায় দম্পতি। অসহায় বাবা মায়ের কান্না শুনে চুপ থাকতে পারেননি প্রহরারত সীমান্ত রক্ষীরা। খবর শোনা মাত্রই ছুটে আসে সীমান্তরক্ষী জওয়ানরা। নিজেদের খরচে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে কিনে দেওয়া হয় যাবতীয় ঔষধপত্র। সীমান্ত ঘেষা গ্রামে বিদ্যুৎ ছিল না জগন্নাথ মল্লিকের বাড়িতে। চিকিৎসার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করল বিএসএফ-এর ৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ান।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: