• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • সোশ্যাল মাধ্যমে প্রেম, ফাঁদে ফেলে গৃহবধূকে অপহরণ, বীরভূম পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার

সোশ্যাল মাধ্যমে প্রেম, ফাঁদে ফেলে গৃহবধূকে অপহরণ, বীরভূম পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার

  • Share this:
    মাধব দাস, বীরভূম : ফেসবুকের মাধ্যমে এক গৃহবধূকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ। ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে গৃহবধূর বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি। অন্যথায় অন্য কোথাও বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি। আর এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যেও বীরভূম পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হয় ওই গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি থানা এলাকার একটি গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে ওই গৃহবধূর নলহাটিতে এক কৃষক পরিবারে বিয়ে হয়। তবে এরই মাঝে ওই গৃহবধূর নেপালের জলেশ্বর থানার হালখড়ির বছর চব্বিশের রাকেশ কুমার পান্ডে নামে এক যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ হয়।  তার থেকে তাদের ফোনালাপ শুরু হয় এবং দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ওই যুবক ওই গৃহবধূকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখান। তবে এই সকল ঘটনা ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঘুনাক্ষরেও টের পান নি। ঘটনার পর হঠাৎ মে মাসের ২৩ তারিখ ওই গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে যান। নিখোঁজ হওয়ার পর খোঁজাখুঁজি করা হলে ওই গৃহবধূর কোনরকম খোঁজ না মেলায় গৃহবধূর বাবা নলহাটি থানার দ্বারস্থ হন এবং নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পুলিশ এই ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করলে ইতিমধ্যেই দিন কয়েক আগে ওই অপহৃত গৃহবধূর বাবার মোবাইল নম্বরে একটি অচেনা ফোন আসে। আর সেই ফোন নম্বর থেকে দাবি করা হয় তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং ছয় লক্ষ টাকা চাওয়া হয় মেয়েকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। অপহরণের এই ফোন পেয়ে ওই গৃহবধূর বাবা পুনরায় নলহাটি থানা এসে পুরো বিষয়টি জানান। নিখোঁজের ঘটনা সম্পূর্ণভাবে অন্য মোড় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নলহাটি থানার পুলিশ অপহৃত গৃহবধূর বাবার মোবাইল নম্বরে আসা ফোন নম্বর ধরে তদন্ত শুরু করেন। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে জানা যায় নম্বরটি সুরাতের শচীন পুলিশ স্টেশন এলাকার। তারপর সেখানে বীরভূম পুলিশের একটি স্পেশাল টিম পৌঁছায় এবং স্থানীয় থানার সহযোগিতায় একটি বস্তি থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। গৃহবধূকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনার পর বৃহস্পতিবার ওই গৃহবধূকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গৃহবধূর বাবা তার মেয়েকে ফিরে পেয়ে খুশি বলেই জানিয়েছেন।
    Published by:Pooja Basu
    First published: