Home /News /local-18 /
East Medinipur News- দিঘায় পর্যটকদের সেলফির নেশায়  রুটি রোজগারে টান পড়েছে ফটোগ্রাফারদের

East Medinipur News- দিঘায় পর্যটকদের সেলফির নেশায়  রুটি রোজগারে টান পড়েছে ফটোগ্রাফারদের

দিঘা

দিঘা সমুদ্র সৈকত

রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিচ্ছেন

  • Share this:

    #দিঘা: মোবাইল ক্যামেরায় সেলফির নেশায় রুটি-রোজগারের টান ধরেছে ফটোগ্রাফারদের। বেড়াতে এসে নানা মুহূর্তকে বন্দী করতে চায় না এমন পর্যটক খুব কমই আছে। ভ্রমণপিপাসু বাঙালির পছন্দের জায়গা দিঘা। দিঘার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে নানা মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দী করতে চায় পর্যটকেরা। কিন্তু একসময় মুহূর্তকে বন্দি করার কাজ করতো দিঘার সৈকত জুড়ে থাকা ফটোগ্রাফাররা। ঘোড়ার পিঠে চড়ে হোক কিংবা সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে, আবার কখনো যুগলবন্দী অবস্থায় ছবি তুলতে দিঘার ফটোগ্রাফাররাই ছিল একমাত্র ভরসা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে সবকিছু। নেগেটিভ ফিল্মের রিলের জায়গায় বর্তমানে ডিজিটাল ক্যামেরা হাতে উঠেছে ফটোগ্রাফারদের। কিন্তু বদলে ফেলা সময়ে মোবাইল ক্যামেরার দাপটে কাজ কমেছে দিঘায় সৈকত জুড়ে থাকা ফটোগ্রাফারদের। বর্তমানে বেড়াতে এসে পর্যটকরা নানা মুহূর্ত বন্দি করছে নিজেদের মোবাইল ক্যামেরায়, ফলে দিঘার পেশাদার ফটোগ্রাফারদের ছবি তোলার কাজ কমেছে। ছবি তোলার কাজ কমতেই তাদের দৈনন্দিন রোজগারে টান পড়েছে।

    মোবাইল ক্যামেরা আসার আগে দীঘা সমুদ্র সৈকত জুড়ে থাকা ফটোগ্রাফাররা দৈনন্দিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা রোজগার করত। কিন্তু বর্তমানে মোবাইল ক্যামেরার দাপটে দৈনন্দিন রোজকার কমেছে অর্ধেকেরও কম। বর্তমানে ফটোগ্রাফারদের দৈনন্দিন রোজকার ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে। ফলে ফটোগ্রাফারদের সংসার চলছে কোন রকমেই। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সমুদ্র সৈকত শহর দিঘায় বর্তমানে পাঁচশো ফটোগ্রাফার রয়েছে। দিঘার সৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকদের ছবি তোলার জন্য। কিন্তু মোবাইল ক্যামেরা তাদের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যটকেরা নিজের মোবাইলে বন্দি করেছে নানান মুহূর্তের ছবি। দিঘা সৈকতে কাজের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে পেশাদার ফটোগ্রাফাররা। রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ পনেরো কুড়ি বছরে এই পেশায় কাজ করতে করতে ভালোবাসার তাগিদে এখনো দিঘায় ৫০০ পেশাদার ফটোগ্রাফার সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ায় পর্যটকদের নানান সুন্দর মুহূর্ত তুলে ধরতে।

    First published:

    Tags: Digha News, East Medinipur

    পরবর্তী খবর