Home /News /local-18 /
Purba Medinipur: নদী থেকে বালি চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার

Purba Medinipur: নদী থেকে বালি চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেফতার

পাঁশকুড়া থানা

পাঁশকুড়া থানা

প্রতিনিয়ত নদীর বুক থেকে অবৈধভাবে নেওয়া হচ্ছে বালি। নষ্ট হচ্ছে নদীর স্বাভাবিক বাস্তুতন্ত্র। ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক নদী চর। কংসাবত

  • Share this:

    পাঁশকুড়া: প্রতিনিয়ত নদীর বুক থেকে অবৈধভাবে নেওয়া হচ্ছে বালি। নষ্ট হচ্ছে নদীর স্বাভাবিক বাস্তুতন্ত্র। ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক নদী চর। কংসাবতী নদীর বুক থেকে অবৈধভাবে বালি তুলে দীর্ঘদিন বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী। বালি মাফিয়াদের বাড়বাড়ন্তে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী। বালি চুরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পাঁশকুড়া থানার পুলিশ (Police)। অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে মামলা রুজু করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ (Police)।

    পাঁশকুড়া থানার অন্তর্গত মাইশোরা গ্রামের কাছে কংসাবতী নদী খুঁড়ে বালি পাচার চলছিল রমরমিয়ে। বালি পাচারের ফলে নষ্ট ছিল নদীর স্বাভাবিক বাস্তুতন্ত্র। নদীর চরের জমি ক্রমশই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে অবৈধ বালি খাদান গুলির জন্য এমনটাই অভিযোগ দীর্ঘদিন করে আসছে গ্রামবাসী। গ্রামবাসীর অভিযোগ নদীতে মেশিনের সাহায্যে বালি তুলে অন্যত্র পাচার করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী। আর তাতেই ক্ষতি হচ্ছিল নদী চরের চাষবাস। হারিয়ে যাচ্ছে নদীর চরের জমি। এমনকি ভরা বর্ষায় নদী বাঁধ ভাঙার মুখ্য কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই অবৈধ খাদান গুলি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল প্রশাসন সব জেনেও নির্বিকার। মাইশোরা এলাকাবাসী অবৈধ বালি খাদানের যন্ত্রপাতি ও মানুষজনকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায়। যদিও তাতে কোনো সুরাহা হয়নি। গ্রামবাসীরা হারিয়েছে তাদের গোলাপ চাষের জায়গা এই অবৈধ বালি কারবারিদের কারণে। কিছুদিন আগেও পাঁশকুড়ায় মাইশোরা এলাকায় অবৈধ বালি খাদান নিয়ে সরব হয় এলাকাবাসী। কিন্তু এবার অভিযোগ পেয়ে চুপ থাকেন প্রশাসন। পাঁশকুড়া থানা এলাকায় কংসাবতী নদীতে থাকা অবৈধ বালি খাদান গুলির বিরুদ্ধে অভিযান চালাল পাঁশকুড়া থানা পুলিশ। পরপর দু'দিন ভোররাত্রে অভিযান চালিয়ে যন্ত্রপাতি ও ট্রাকসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। পাঁশকুড়া থানা সূত্রে জানা যায়, কংসাবতী নদীর একপাশে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া অন্য তীরে পশ্চিম মেদিনীপুর দাসপুর। আর এই ভৌগোলিক অবস্থানকেই কাজে লাগিয়ে বালি মাফিয়ারা বালি পাচারের কাজ করত। সূত্র মারফত খবর পেয়ে পাঁশকুড়া থানা পরপর দু'দিন ভোররাত্রে অভিযান চালায়। উদ্ধার হয় বালি তোলার যন্ত্রপাতি, ট্রাক এবং গ্রেফতার করা হয় এক ব্যক্তিকে। ধৃত ওই ব্যক্তির নাম অমিত সিং বয়স ২৯। ধৃত ওই ব্যক্তি পাঁশকুড়া থানার ফকির বাজারে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। ধৃত ব্যক্তিকে তমলুক জেলা আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে সাতদিনের পুলিসি হেফাজতে রয়েছে ধৃত ব্যক্তি। প্রতিবছর বর্ষায় কংসাবতী নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। জলের তোড়ে নদী বাঁধ প্রতিবছরই ভাঙ ভাঙ অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়। নদী বাঁধ ভাঙ্গার মূল কারণ হিসেবে এলাকাবাসী দায়ী করছে এই অবৈধ বালি খাদানগুলিকে। নদীগর্ভে ও নদীচর থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার করার ফলে দুর্বল হয় নদী বাঁধ। যা গ্রামবাসীরা বারবার অভিযোগ জানিয়ে এসেছে। পাঁশকুড়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁশকুড়া থানা এলাকায় সবকটি অবৈধ বালি খাদান এবার বন্ধ করল।

    First published:

    Tags: Purba medinipur

    পরবর্তী খবর