Home /News /local-18 /
East Medinipur News- বন্ধের মুখে স-মিল। চার পাঁচ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হওয়ার মুখে। 

East Medinipur News- বন্ধের মুখে স-মিল। চার পাঁচ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হওয়ার মুখে। 

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শাসকের কার্যালয়

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শাসকের কার্যালয়

পূর্ব মেদিনীপুরও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এক হাজারের বেশী সমিল বন্ধ হওয়ার পথে। স - মিল বন্ধ হয়ে পড়লে দুই জেলার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল চার পাঁচ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হবে।

  • Share this:

    #পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এক হাজারের বেশী স-মিল বন্ধ হওয়ার পথে। স-মিল বন্ধ হয়ে পড়লে, দুই জেলার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল চার-পাঁচ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হবে (East Medinipur News)। কাঠের লগ এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বন দফতর থেকে ট্রানজিট পারমিট সংগ্রহ করা হয়। টি - পি সংগ্রহের জন্য, প্রতি কিউবিক মিটার কাঠের জন্য  ৮০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে।

    সম্প্রতি কদম ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, খিরিশ প্রভৃতি ২৬ টি প্রজাতির গাছের ক্ষেত্রে ট্রানজিট পারমিট প্রথা তুলে নেওয়া হয়। তবে সাউ, মেহগনি, অর্জুন প্রভৃতি প্রজাতির গাছের ক্ষেত্রে ট্রানজিট পারমিট প্রথা বহাল রাখে বন দফতর । তবে সব ধরনের চেরাই কাঠের উপর ১৮ শতাংশ হারে জি এস টি চালু থাকে (East Medinipur News)। কাঠ চেরাই করার জন্য স-মিল মালিকদের কাছ থেকে অ্যাফিডেভিট নিয়ে প্রতি কিউবিক মিটার কাঠের জন্য ১০০ টাকা হারে ফি জমা নেওয়া হয়। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় মূলতঃ সামাজিক বনসৃজনের গাছ স-মিলে চেরাই করা হয়। জঙ্গলের গাছ কাটার ক্ষেত্রে, নিয়মের কড়াকড়ি অব্যাহত আছে। দুই জেলার কাঠ মূলত ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, বিহার, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ প্রভৃতি রাজ্যে পাঠানো হয়ে থাকে । ভিনরাজ্যে কাঠ খড়গপুর বন দফতরের ডিভিশন এলাকা দিয়ে পারাপার করা হয় ৷ কলকাতা যাওয়ার সময় বাগনান প্রভৃতি রেঞ্জ এলাকা অতিক্রম করে।

    গাছ কাটার অনুমতিপত্র রাস্তায় দেখার কোন বিধিনিয়ম কোন সময়ই ছিল না। ২৬ টি প্রজাতির গাছের ক্ষেত্রে, ট্রানজিট পারমিট প্রথা উঠে যাওয়ার পর নতুন করে পুলিশ ও বন দফতরের পক্ষ থেকে স-মিল মালিকও কাঠ ব্যবসায়ীদের ফেলিং সার্টিফিকেট দেখার নামে, হয়রানি চলছে অবাধে। একদিকে জিএসটি সহ বিভিন্ন করের বোঝা অপরদিকে পুলিশ ও বন দফতরের হয়রানিতে, স-মিল মালিক ও ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। এর ফলেই অধিকাংশ স-মিল বন্ধ হতে বসেছে (East Medinipur News)। কাঠ ব্যবসা লাটে ওঠার জোগাড়, কয়েক লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স-মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেনের সহযোগিতায় দুই জেলার কয়েক’শ  স-মিল মালিক প্রতিকারের দাবিতে, মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরির কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দেন পূর্ব মেদিনীপুর স-মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুন চন্দ, সম্পাদক দিব্যেন্দু সাহু, মুক্তেশ্বর প্রামানিক, অসীম পাহাড়ী সহ প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন প্রমুখ। মৎস্যমন্ত্রী অখিল গিরি, বন দফতরের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হস্তক্ষেপ চেয়ে বার্তা প্রেরণ করেন। তিনি সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

    Saikat Shee

    First published:

    Tags: East Medinipur, Purba Medinipur News

    পরবর্তী খবর