Home /News /local-18 /
East Medinipur News- "আমি বাঁচতে চাই", রাজ্য সরকারের কাছে কাতর আর্তনাদ কিডনি রোগে আক্রান্ত তমলুকের গণেশ মণ্ডলের।

East Medinipur News- "আমি বাঁচতে চাই", রাজ্য সরকারের কাছে কাতর আর্তনাদ কিডনি রোগে আক্রান্ত তমলুকের গণেশ মণ্ডলের।

ছেলে

ছেলে ও স্ত্রীর সঙ্গে গণেশ মণ্ডল

২০১৩ সালে গনেশের পরিবার জানতে পারে গণেশের দুটি কিডনিই নষ্ট। কলকাতার অ্যাপোলোতে চিকিৎসার পেছনে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা খরচ হয়।

  • Share this:

    #তমলুক: তমলুক ব্লকের টুল্যা গ্রামের ৪০বছর বয়সী গণেশ মণ্ডল। ৮ বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর দুটো কিডনি নষ্ট, যাঁর ফলে দীর্ঘ বছর ধরে চিকিৎসার মাধ্যমে বাঁচার কঠিন লড়াইটা সে চালিয়ে গেলেও, আর্থিক সমস্যা তাঁর চিকিৎসায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়িতে থাকা অবস্থায় নাক মুখ দিয়ে রক্ত উঠতে শুরু করলে তৎক্ষণাৎ তাকে তমলুকে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে কলকাতার নীলরতন হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে, সেখানেই টানা এগারো দিন চিকিৎসা চলাকালীন জানতে পারে, গনেশ আইটিপি রোগে আক্রান্ত হয়েছে। যার চিকিৎসা খরচ বাবদ প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা। তাঁকে যে ইনজেকশন দিতে হয় যার এক একটার মূল্য প্রায় ১লাখ ৭০ হাজার টাকা। তবে সেই ইঞ্জেকশন সাপ্লাই না থাকার জন্য গনেশ মন্ডলকে স্বেচ্ছায় বাড়ি চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যার ফলে নিরুপায় হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় কিডনি আক্রান্ত অসুস্থ তমলুকের গণেশ মণ্ডলকে। তার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও ওই ইঞ্জেকশন এর জন্য ছাড় মেলেনি কোথাও।

    ২০১৩ সালে গণেশের পরিবার জানতে পারে গণেশের দুটি কিডনিই নষ্ট। কলকাতার অ্যাপোলোতে চিকিৎসার পেছনে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা খরচ হয়। এমনকি জমি সম্পত্তি বিক্রি করেও ওষুধ পত্র কেনাকাটা থেকে প্রতি সপ্তাহে ডায়লেসিস করতে গিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা দাঁড়িয়েছে তাঁদের পরিবারের। চোখের জলে হাত জোড় করে বাঁচার তাগিদে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন করেন অসহায় গণেশের মন্ডল ও তাঁর পরিবার।

    সরকার যদি মুখ তুলে না তাকায় তবে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে অসহায় পরিবারের গণেশের মন্ডলকে। আট বছরের ছেলে অরিত্র ও স্ত্রী বুল্টি মন্ডলকে নিয়ে সংসার তাঁর। তাঁদের কে দেখবে এই চিন্তাও গণেশের কুরে কুরে খাচ্ছে।

    First published:

    Tags: East Medinipur, Tamluk

    পরবর্তী খবর