Home /News /local-18 /
East Medinipur News- জীবন যুদ্ধে জয়ী অনাথ আশ্রম পালিতা মূক ও বধির যুবতী সুপ্রিয়া

East Medinipur News- জীবন যুদ্ধে জয়ী অনাথ আশ্রম পালিতা মূক ও বধির যুবতী সুপ্রিয়া

রং

রং তুলি নিয়ে ব্যস্ত সুপ্রিয়া

জন্মের পর থেকেই ৮০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। শুনতে পায় না কারো কথা। বলতেও পারে না কথা। ছোটবেলা থেকেই বড় হয়ে ওঠা অনাথ আশ্রমের পরিমণ্ডলে। কিন্তু তারপর সামান্য সুযোগ পেয়েই জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার গল্প কথা লিখল সুপ্রিয়া মাইতি

  • Share this:

    #ভগবানপুর: জন্মের পর থেকেই ৮০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। শুনতে পায় না কারো কথা। বলতেও পারে না কথা। ছোটবেলা থেকেই বড় হয়ে ওঠা অনাথ আশ্রমের পরিমণ্ডলে। কিন্তু তারপর সামান্য সুযোগ পেয়েই জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার গল্প কথা লিখল সুপ্রিয়া মাইতি। ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সমাজের সব শ্রেণির নারীদের সম্মান জানাতে এই দিনটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। সামান্য সুযোগ ও সম্মান পেলে নারীরাও যে পুরুষের চেয়ে কোন অংশে কম না তা বারে বারে দেখিয়েছে বহু নারী। তবুও বর্তমানে প্রতি পদক্ষেপেই  নারীদেরকে একাধিক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। সামাজিক প্রতিবন্ধকতা অনেক নারীকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে। সেই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে যারা এগিয়ে যায় জীবন যুদ্ধে তারাই একদিন নতুন ইতিহাস রচনা করে।

    কিন্তু শুধু সামাজিক প্রতিবন্ধকতা নয় দৈহিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নিজের গল্প কথা লিখলেন ভগবানপুরের অনাথ আশ্রমের পালিতা সুপ্রিয়া মাইতি। দু বছর বয়সে হারায় নিজের বাবা-মাকে। ৮০ শতাংশ দৈহিক প্রতিবন্ধী। ছোটবেলা থেকেই বড় হয়ে ওঠা অনাথ আশ্রমের পরিমণ্ডলে। আশ্রমেই তার শিক্ষাদিক্ষা বেড়ে ওঠা। আশ্রম থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করে। কিন্তু প্রতিবন্ধী হলেও প্রথম থেকেই তার আঁকার হাত খুব পটু। আশ্রমের পরিমণ্ডলে সঠিক পরিচর্চায় সে হয়ে ওঠে একজন দক্ষ অঙ্কন শিল্পী। আশ্রম থেকে মাধ্যমিক পাস করার পর সুপ্রিয়া অঙ্কন শিল্পকেই বেছে নেয় জীবন-জীবিকা হিসাবে। তার হাতে পাঞ্জাবি থেকে অন্যান্য প্রসাদ সহ নানান জিনিস পত্র বিক্রি করেই তার জীবন জীবিকা নির্বাহ হয়। বর্তমানে ওই আশ্রমের অন্যান্য ছেলেমেয়েদের আঁকার শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে সুপ্রিয়া। অঙ্কন শিল্পের মাধ্যমে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে জায়গা কিনে বানিয়েছে বাড়ি। তার জীবন যুদ্ধ থেমে থাকেনি, প্রবাহমান। সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সুপ্রিয়া মাইতি নিজেকে সমাজের একজন  প্রতিষ্ঠা হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছে।

    First published:

    Tags: Bhagabanpur, East Medinipur

    পরবর্তী খবর