Home /News /local-18 /
Purba Bardhaman: বৃষ্টিতে স্বস্তি মিললেও ক্ষতি ধান চাষে

Purba Bardhaman: বৃষ্টিতে স্বস্তি মিললেও ক্ষতি ধান চাষে

জলে

জলে ভেজা ধান তোলা হচ্ছে জমি থেকে

প্রচন্ড দাবদাহে নাজেহাল অবস্থায় সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করছিলেন বৃষ্টির। বহু প্রতীক্ষার পর বৃষ্টি এসেছে স্বস্তি মিলেছে আমজনতার। তবে এই বৃষ্টিতে মাথায় হাত পড়েছে ধান চাষিদের।

  • Share this:

    পূর্ব বর্ধমান : প্রচন্ড দাবদাহে নাজেহাল অবস্থায় সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করছিলেন বৃষ্টির। বহু প্রতীক্ষার পর বৃষ্টি এসেছে স্বস্তি মিলেছে আমজনতার। তবে এই বৃষ্টিতে মাথায় হাত পড়েছে ধান চাষিদের। ক্ষেতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষীরা। এখন বোরো ধানের সময়, ফলে শস্য ভাণ্ডার পূর্ব বর্ধমানের ব্লকে ব্লকে জমিতে চাষ হচ্ছিল বোরো ধান। প্রায় সব জমিরই ধান কাটার কাজ শেষ। তবে বেশ কয়েকটি জায়গায় বাকি ছিল আর সেই সমস্ত জমিই বৃষ্টির জলে কার্যত ভরে গিয়েছে। আর যার জেরে দুশ্চিন্তায় ধান চাষীরা। তবে কৃষি দফতর তরফে জানানো হয়েছে, কতটা বৃষ্টি হচ্ছে বা কত দিন ধরে হচ্ছে, তা দেখার পরেই ক্ষতির পরিমাণ সঠিক ভাবে বলা সম্ভব। এই দু দিনের বৃষ্টিতে তেমন কিছুই ক্ষতি হবে না ধান জমির বলে জানান উপ কৃষি অধিকর্তা আশীষ কুমার বারুই।কাটোয়া দু নং ব্লক এলাকায় মঙ্গলবার সকাল থেকে মুষলধারায় বৃষ্টি পড়তে শুরু হয়। আর তার জেরে কাটোয়া দু নং ব্লকের শ্রীবাটী অঞ্চলের নন্দীগ্রামের বিভিন্ন মাঠে পাকা ধানের জমিতে জল দাঁড়িয়ে যায়। জল ছাড়ার পর চাষীরা নন্দীগ্রামের বিলের মাঠের জমিতে গিয়ে,জলে পড়ে থাকা ধানগুলো জল থেকে তুলে ডাঙ্গায় রাখেন। চাষীরা জানান এই বৃষ্টির কারণে ধান জলে ডুবে থাকার জন্য অনেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে। ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের কাছে অনুদানের দাবি জানালেন এলাকার চাষীরা। জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা আশীষ কুমার বারুই জানান, \"দু এক দিনের বৃষ্টিতে তেমন কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে পাঁচ থেকে ছ দিন টানা বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষতি হবে ধান জমির। আর আপাতত যা ক্ষতি হয়েছে তার পরিমাণ এখনই বলা যাবে না। সাত দিন না গেলে ক্ষতির পরিমাপ করা যাবে না। ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৬০ হাজার হেক্টর জমির ধান তোলা হয়ে গিয়েছে। আর তোলা বাকি রয়েছে ৩০ হেক্টর জমির ধান।\" Malobika Biswas

    First published:

    Tags: Cultivation, Purba bardhaman

    পরবর্তী খবর