Home /News /local-18 /
Netaji Subhas Chandra Bose- কাটোয়ায় রয়েছে নেতাজির স্মৃতিধন্য আশ্রম

Netaji Subhas Chandra Bose- কাটোয়ায় রয়েছে নেতাজির স্মৃতিধন্য আশ্রম

কাটোয়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এসেছিলেন নেতাজি। আশ্রমও রয়েছে এখানে, যা আজ জরাজীর্ণ এক দোতলা বাড়ি।

  • Share this:

    #পূর্ব বর্ধমান : তখন ইংরেজদের পদানত ভারতবর্ষ। ঠিক সেই সময় জাতীয় রাজনীতিতে পা রাখলেন তরুণ বাঙালি। তিনি নিজের লক্ষ্যে অবিচল থেকে ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিলেন। তাঁর অদম্য চেষ্টায় বহু তরুণ নাম লিখিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। ধীরে ধীরে এই সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে থাকেন অনেকেই। "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।" অমোঘ মুক্তিমন্ত্র। আজও যা বাঙালীর শিরায় শিরায় জ্বালিয়ে দেয় দেশপ্রেমের আগুন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আহবানে সেই সময় বহু মানুষ প্রাণ দিয়েছিলেন নির্দ্বিধায়।(Netaji Subhas Chandra Bose)

    ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের থাবা থেকে ভারতকে মুক্ত করতে নেতাজিকে হাজারো বাধা পার করতে হয়েছিল। দেশ রক্ষা করতে যেমন তিনি গিয়েছিলেন জার্মানি, রাশিয়া। সেই সূত্র ধরে তিনি এসেছিলেন পূর্ব বর্ধমানেও (Netaji Subhas Chandra Bose)। কাটোয়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এসেছিলেন তিনি। এখানে এসে তিনি পেয়েছিলেন অকুতোভয় বেশ কয়েকজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে। দাঁইহাটে ও পাটুলিতে তিনি সভা করেছিলেন। দাঁইহাট বাজার থেকে ষ্টেশন যাওয়ার রাস্তাটির নাম সুভাষরোড। রাস্তার ডানদিকে গোবিন্দবাগান খেলার মাঠ। বামদিকে শ্যাওলা ধরা পাঁচিল। ঘাসে ভোরে গেছে সবই। তারই শেষ প্রান্তে সুভাষ আশ্রম। নামেই আশ্রম, আসলে জরাজীর্ণ এক দোতলা বাড়ি। যার নিচে ফরোয়ার্ড ব্লকের কাটোয়া লোকাল কমিটির বন্ধ কার্যালয়। লাল ইঁটের বাড়িটি কার্যত ধ্বংসের মুখে। দরজা-জানলা গুলিও বেহাল দশায়। গোটা বাড়ির চত্বরটাই ভরেছে আগাছায়। এই বাড়িতেই ১৯৩১ সালের ডিসেম্বর মাসে তিন দিন ছিলেন নেতাজি। তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতা আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেন ওই তিন দিন। আশ্রমকে কেন্দ্র করে বিপ্লবীরা সংঘবদ্ধ হন। পরে আশ্রম প্রাঙ্গনে বাড়িটির গা ঘেঁসেই গড়ে উঠেছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়। কাঠগোলা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশেই ভগ্নদশা ওই দোতলা বাড়িটির সামনে নেতাজির আবক্ষ মূর্তি। মূর্তির গায়ে গাঁথা কালো অক্ষরের বর্ণমালা আবছা হয়ে এসেছে বর্তমানে। বারান্দার মাথায় লাল বোর্ড ঝুলছে। তাতে নিচে লেখা 'নেতাজি সুভাষ আশ্রম।'

    ওই দোতলা বাড়িটি আজও 'নেতাজি সুভাষ আশ্রম' নামে পরিচিত। বাড়িটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে পুরসভার তরফে (Netaji Subhas Chandra Bose)। নেতাজি ছিলেন এই আশ্রমের সদস্য। নেতাজির নাম আজও উল্লেখ আছে পুরনো ফলকে। আশ্রমে তেমন কোনও কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে। তবে ফলকে এখনও উজ্জ্বল, “জীবনে অবসরের সুযোগ পাইলে পুনরায় এখানে এসে অবস্থান করিব।” এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন স্বয়ং নেতাজি। তাই আজও সুভাষের ঘরে ফেরার অপেক্ষা করে কাটোয়াবাসী।

    Malobika Biswas

    Published by:Samarpita Banerjee
    First published:

    Tags: East Bardhaman, Katwa, Netaji Subhas Chandra Bose

    পরবর্তী খবর