Home /News /local-18 /

East Bardhaman News- হালকা ছাই ছিটিয়ে চাপা দিচ্ছেন প্লাস্টিক, বীজতলা বাঁচাতে নানা পন্থা অবলম্বন করছেন চাষিরা 

East Bardhaman News- হালকা ছাই ছিটিয়ে চাপা দিচ্ছেন প্লাস্টিক, বীজতলা বাঁচাতে নানা পন্থা অবলম্বন করছেন চাষিরা 

ঠান্ডা ও রাতভোর হিমেল হাওয়ার থেকে বীজতলাকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নিল চাষিরা 

  • Share this:

    #পূর্ব বর্ধমান : শীত এখনও বিদায় নেয়নি। ঠান্ডা ও রাতভোর হিমেল হাওয়া, এই দুইয়ের জেরে বীজতলাতেই শুকিয়ে যাচ্ছে বোরো ধানের চারা। সন্ধ্যের পর কুয়াশা আর সকাল হতেই রোদ, যার ফলে ধান গাছের চারাগুলি লাল হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষি দফতরের আধিকারিকরা জনান, ধানগাছের এই রোগের নাম কোল্ড ইনজুরি। চাষিদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

    এই অবস্থায় বিশেষ ব্যবস্থা নিল চাষিরা (East Bardhaman News)।অঙ্কুরিত বীজ ছিপছিপে জলে বপন করার পর অল্প ছাই ছিটিয়ে দিয়েছেন। অনেকে আবার রাতে বীজতলার উপর হালকা প্লাস্টিক চেপে দিচ্ছেন। আর পরদিন সকালে প্লাস্টিক খুলে নিচ্ছেন। আর যেই সব চাষিদের বীজতলা বড়ো, তাঁরা রাতে বীজতলা জলে চুবিয়ে রাখছেন। আর পরদিন সকাল হতেই জল ঝেড়ে নিচ্ছেন বীজতলা থেকে। কৃষকদের মতে এভাবেই বীজতলা নষ্ট হবে না। শুধু তাই নয়, এই পদ্ধতিতে বীজতলা সতেজ থাকে।

    কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে তাপমাত্র নেমে যাওয়ায় অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় বীজতলার ক্ষতি হচ্ছে। এই সময় মাটির তলা থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করতে পারছে না চারাগাছ। যার ফলে চারা গাছ বৃদ্ধি পাচ্ছে না। বীজতলার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বীজতলার মাটি নরম রাখতে হবে। দিনে অন্তত একবার বীজতলা দেখতে যেতে হবে। প্রচন্ড ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে যদি বীজতলা হলদে বা লালচে হয়ে যায়, ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম/লিটার জলে অথবা ম্যাটাল্যাক্সিল ৮ শতাংশ ও ম্যানকোজেবের ৬৪ শতাংশ মিশ্রণ ২.৫ গ্রাম / লিটার জলে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে রোদ ঝলমলে দিনে। (East Bardhaman News)

    এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত, সাবমার্সিবল পাম্পের কাছে বীজতলা তৈরি করতে হবে। এর ফলে বিকেল বেলায় মাটির তলা থেকে উঠে আসা গরম জল বীজতলায় যাবে। আবার পরদিন সকালে বীজতলা থেকে ঠাণ্ডা জল বাইরে বের করে দিতে হবে। বীজতলায় কালো ছাই ছড়ালেও ভাল ফল মিলবে। ছাই জমির তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও ছাইয়ের মধ্যে থাকা পটাশ এবং জৈব পদার্থও চারাগাছের জন্য উপকারী।

    Malobika Biswas

    First published:

    Tags: East Bardhaman, Farmers

    পরবর্তী খবর