Home /News /local-18 /
Bardhaman News: হাতির দাপাদাপিতে নষ্ট সোনালী ফসল, মাথায় হাত কৃষকদের

Bardhaman News: হাতির দাপাদাপিতে নষ্ট সোনালী ফসল, মাথায় হাত কৃষকদের

মাত্র কয়েকটা দিন পরই কাটা হত ধান। নবান্ন উৎসবে মেতে উঠতো চাষীরা। তবে উৎসবের আগেই বিষাদের সুর শস্য ভান্ডার পূর্ব বর্ধমানে। 

  • Share this:

    পূর্ব বর্ধমান : মাত্র কয়েকটা দিন পরই ঘরে তোলা হত সোনালী ফসল। তারপরই নবান্ন উৎসবে মেতে উঠতো কৃষকরা। তবে উৎসবের আগেই বিষাদের সুর শস্য ভান্ডার পূর্ব বর্ধমানে। হাতির তছনছ হয়ে গেল চাষীদের কয়েক হেক্টর ধানের জমি। ইতিমধ্যেই ধান হয়ে উঠেছিল সোনালী রঙের। জমি থেকে ধান যেত গোলায়। তবে এখন কার্যত সব ধানই শুয়ে পড়েছে জমিতে। দীর্ঘদিন ধরে চাষীদের অক্লান্ত পরিশ্রম একদিনেই নষ্ট করে দিল হাতির পাল (Elephant herd)। একেই চলতি বছরে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় জমিতেই নষ্ট হয়েছে ধান। তারপর গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ালো এই হাতির পাল। এদিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। রাম গোপাল পুর, পোতনা ও শিম পুর অঞ্চল ঘুরে দেখলেন তাঁরা। চাষীদের সঙ্গে কথা বলেন কৃষি আধিকারিক প্রান্ত লাহা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

    দিনভর হাতির তান্ডবের (Elephant herd) জেরে নাজেহাল বাসিন্দারা রাতের ঘুম উড়িয়ে পাহারা দেয় জমিতে। আগুন জ্বালিয়ে জমিতে কাটিয়ে দেয় গোটা রাত।আউশগ্রাম এক ব্লকের পাঁচটি গ্রামের গ্রামবাসীরা সারা রাত জেগে পাহারা দেয় এদিন। সঙ্গে ছিলেন বন দফতরের কর্মীরাও।

    একদিকে আর্থিক মন্দা চলছে করোনার জেরে। আর তারমধ্যেই হাতির হানায় (Elephant herd) বিঘার পর বিঘা জমির ধান নষ্ট হওয়ায় মাথায় হাত কৃষকদের। তাঁরা বলছেন, ধান চাষ করে বিক্রি করে পেট চালাই। আর সেই ধান এভাবে নষ্ট হল। চলতি বছরে বন্যার জেরে ধান নষ্ট হয়েছিল। আবার নষ্ট হল ধান। এ ক্ষতি অপূরণীয়। কৃষকদের একাংশের অভিযোগ বনদপ্তর আধিকারিকরা সতর্ক থাকলে এভাবে আমাদের ধান নষ্ট হতো না।

    বন দপ্তর সূত্রে খবর, বর্তমানে হাতির দলটি অবস্থান করেছে গুসকরা শহরের কাছাকাছি শান্তিপুর শিবদাহ এলাকায়। এখনো পর্যন্ত হাতির দলটিকে বাগে আনতে পারেনি বনদপ্তরের কর্মীরা।

    গজরাজের এহেন তাণ্ডবে, মাথায় হাত চাষীদের। বরুনদেবের অক্লান্ত বর্ষণ সহ্য করার পর, হাতির হানায় আবার নষ্ট ফসল। সবমিলিয়ে মাথায় হাত চাষীদের। প্রাণহানি না হলেও, কৃষিজমির যেভাবে ক্ষতি হয়েছে, তাতে হাতির দলের আগমনে বেজায় অস্বস্তিতে কৃষকরা। তারা বলছেন, গজরাজের ভারী পায়ের ছাপের ক্ষত, তাদের আগামী এক বছর বয়ে চলতে হবে।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: East Bardhaman, Elephant

    পরবর্তী খবর